ksrm

খেলার সময়ব্যাটে-বলে আবাহনীকে জেতালেন মাশরাফি

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
মাশরাফির অলরাউন্ড নৈপুন্যে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের দ্বিতীয় রাউন্ডে বিকেএসপিতে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রকে ৩৬ রানে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। অন্য ম্যাচে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে নবাগত শাইনপুকুরকে ২০ রানে হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটারস। ম্যাচ সেরা হয়েছেন জাকির।
বিকেএসপিতে ঘটে গেলো এক তুঘলকি কাণ্ড। ৪ নম্বর মাঠে আবাহনী লিমিটেডের প্লেয়ার লিস্টে জাতীয় দলের ঢাকা টেস্ট স্কোয়াডে থাকা মোসাদ্দেকের নাম দেখে কপাল কুঁচকালো অনেকেরই। চোখ এড়ালোনা আরেক ম্যাচে গাজী গ্রুপের হয়ে নাঈম হাসানের মাঠে নামাও। প্রশ্ন উঠলো জাতীয় দল না ক্লাব, কার স্বার্থ আগে? তবে ঢাকার ক্রিকেটে অনিয়মটাই যখন নিয়ম, তখন কি বা বলার থাকে আর?
শুরুটা ভালো হয়নি জায়ান্টদের। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে ধানমন্ডির দলটি। ক্রিজে নাজমুল হাসান শান্ত। বিজয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে এগুচ্ছিলেন ভালোই। আবারো ছন্দপতন ১০ম ওভারে, শাহাদাতের বলে ব্যক্তিগত ১৭ রানেই প্যাভেলিয়নে বিজয়। আসা যাওয়ার মাঝে কিছুটা সময় ক্রিজে কাটিয়ে গেছেন নাসির এবং মিঠুন।
মাঠে নামেন মিরপুর টেস্টের স্কোয়াডে থাকা মোসাদ্দেক সৈকত। তবে জুটি জমার আগেই সাজঘরে শান্ত। শচীন রানা আসলেন আর গেলেন। ১০৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ক্রিজে তখন সৈকতের সঙ্গী মাশরাফী। ঝড়ের শুরুটা ওখান থেকেই। একের পর এক বল মাঠের বাইরে উড়িয়ে মেরে নায়ক সুপার ম্যাশ। সৈকত যখন ফিরলেন, দলীয় স্কোরবোর্ডে রান ২০০ পেড়িয়েছে। জতিন সাক্সেনার বলে মাশরাফীও ফিরলেন, তবে ততক্ষণে ৫ ছক্কা, ৩ চারে হয়ে গেছে ৬৭ রান। অবশেষে ২১৭ তে শেষ হয় আবাহনীর ইনিংস।
বোলিংয়ে নেমে আবারো ম্যাশ ম্যাজিক। ৩০ রানেই নেই কলাবাগানের ৩ উইকেট। আশরাফুল ও তাইবুর চেষ্টা করেন ইনিংস মেরামতের। ৪৭ রানের জুটি ভাঙ্গেন বাঁহাতি সাকলাইন সজীব। মাহমুদুল ও মুক্তার আলীতে ভর করে এগুচ্ছিলো কলাবাগান। ঈর্ষা হলো তাসকিনের, শচীনের ক্যাচ বানিয়ে মাহমুদুলকে ফেরালেন ১৪০ রানে। ২ চার ২ ছক্কায় মুক্তার আলী প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও সঙ্গীর অভাবে ভেস্তে যায় সব। ৩৭ রানে ম্যাচ জিতে নেয় আবাহনী। ম্যাচ সেরা হন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।
বিকেএসপির আরেক মাঠে গাজী গ্রুপের মুখোমুখি শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের। টসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৪ রানে ২ উইকেট হারালেও, হাল ধরেন জহরুল ও জাকির। দুজনে মিলে গড়েন ৫০ রানের জুটি।
তাদের বিদায়ে আবারো কালো মেঘ গাজী গ্রুপের আকাশে। ত্রাতা হয়ে দেখা দিলেন বিদেশী রিক্রুট রজত ভাটিয়া এবং অভিজ্ঞ নাদিফ চৌধুরী। দুজনের ব্যাটে ভর করে ২৭৯ রানের পুঁজি পায় তারা।
ব্যাট করতে নেমে চোখে চোখ রেখে জবাব দিতে থাকেন শাইনপুকুরের ব্যাটাররা। সাব্বির, হৃদয় ও উদয় কৌলের ৩ ফিফটিতে জয়ের আশাও দেখে নবাগত ক্লাবটি। তবে নাঈম হাসানের বোলিং তোপে ২৫৯ রানেই থামে শাইনপুকুরের ইনিংস। ২০ রানে জয় পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop