ksrm

খেলার সময়টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্রাদার্স ইউনিয়ন

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে অলক কাপালীর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ২৪ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্রাদার্স ইউনিয়ন। প্রথমে ব্যাট করে ২৯৪ রান করে ব্রাদার্স। জবাবে ২৭০ রানে থামে প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস। আরেক ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংক'কে ২৮ রানে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।
প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। হারা টস'টাই যেনো পোয়াবারো হয়ে যায় গোপীবাগের দলটির কাছে। ওপেনিংয়ে মিজানুর, জুনায়েদ। দেখে শুনে ব্যাট চালাতে থাকেন সপাটে। জুটিতে ৪৭ রান উঠতেই ভাঙ্গন, তবে তা সাময়িক। মাইশুকুর আসলেন, লড়লেন বীরের মতো। মূল আকর্ষণ বাকি তখনও।
স্কোরবোর্ডে ১০০ রান উঠার পর নেই ২য় উইকেট। মাঠে নামলেন ঢাকাই ক্রিকেটের অভিজ্ঞ সেনানী অলক কাপালী। এর মাঝে কিছুক্ষণ ক্রিজে এসে সময় কাটিয়ে গেলেন বিদেশী রিক্রুট সিম্পসন। ইয়াসির আলীর সঙ্গে জমে উঠলো জুটি। দলীয় ২৪৪ রানে যখন ফিরলেন কাপালী, স্কোরবোর্ড তখন জানান দিচ্ছে ৫ ছক্কায় হয়ে গেছে ৭৯ রান।
ইয়াসির অপরাজিত ৬৯, তবে অন্য পাশে কেউ না থাকায় ব্রাদার্স থামলো ৩০০'র আগেই।
জবাবে শুরুতেই হোঁচট খায় খালেদ মাসুদ পাইলটের শিষ্যরা। ৩৭ রান তুলতেই নেই মেহেদী মারুফ এবং আল আমিন। দায়িত্ব নেন তরুণ তুর্কী জাকির হাসান এবং ভারতীয় কুনাল চান্দেলা। সমান ৫০ করে প্যাভিলিয়নে দু'জনই। শিকারির নাম অলক কাপালী। দ্রুতই ফিরেন মেহরাব জুনিয়র এবং আরিফুল। ১৫৩ রানে নেই ৭ ব্যাটসম্যান।
হারটা তখন অবধারিত প্রাইম ব্যাংকের। ধংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে লড়েছেন নাহিদুল এবং দেলোয়ার। অষ্টম উইকেটে গড়েন ১০৭ রানের জুটি। ৮৮ রান করে নাহিদুল, খালেদের বলে কাটা পড়লে শেষ হয়ে যায় প্রাইমের লড়াই। ২৭০ রানে অলআউট হয় মেহেদী মারুফের দল। ম্যাচ সেরা হয়েছেন কাপালী।
অন্য মাঠে টসে জিতে শেখ জামালকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অগ্রণীর অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাক। ৮ রানের মাঝে পিনাক এবং হাসানুজ্জামানকে তুলে নিয়ে ক্যাপ্টেনের মর্যাদাও রাখেন বোলাররা। তবে ওখানেই শেষ, এরপর শুধু শেখ জামালের ব্যাটারদের গল্প। সৈকত, রাঙ্গি এবং ইলিয়াস সানির সঙ্গে সোহানের মাঝারীমানের ইনিংসে স্কোরবোর্ড সচল থাকে ধানমন্ডির দলটির।
ব্যাটিংয়ে নেমে মূল ঝলক দেখান তানভীর হায়দার। ৪৮ বলে ৭১ করে দলের রানকে নিয়ে যান ৩০০'র কাছাকাছি। ২৯৪ রানের পুঁজি পায় সারোয়ার ইমরান শিষ্যরা। অগ্রণী ব্যাংকের হয়ে ৪ উইকেট নেন শফিউল ইসলাম।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আবারো ব্যর্থ সৌম্য সরকার। ২২ রানেই নাজমুলের বলে বোল্ড এই বাঁহাতি। দাঁড়াতে পারেননি শাহরিয়ার নাফিসও। রাফাতুল্লাহ এবং ধীমান চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিলোনা দলের হার এড়াতে।
শেষ দিকে ক্যাপ্টেন রাজ এবং শফিউলের ক্যামিও ইনিংস হারের যন্ত্রণাটাকে বাড়িয়েছে। দল ২৮ রানে হেরেছে জামালের কাছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop