ksrm

খেলার সময়সুজনের কাঠগড়ায় ক্রিকেটাররা

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ শুরুর পর ফাইনালে হেরে ট্রফি হারিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে লজ্জাজনকভাবে হেরে ঘরের সিরিজ খুইয়েছে। জাতীয় দলের এমন ছন্দ পতনে ক্রিকেটপাড়ায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এমন সময় হঠাৎ বিস্ফোরক দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। তার মতে দলের কোচিংয়ে কোন ঘটতি নেই বরং আগের চেয়ে কোচিং আরও ভালো হয়েছে। দলের ব্যর্থতার জন্য ক্রিকেটারদের দায় দিচ্ছেন তিনি।
চান্ডিকা হাথুরুসিংহে দায়িত্ব ছাড়ার পর উপযুক্ত কোনো কোচ খুঁজে পায়নি বিসিবি। চলতি সিরিজে তাই টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের মোড়কে কোচের দায়িত্বে আছেন খালেদ মাহমুদ। সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসলের সঙ্গে মিলে চালাচ্ছেন দল। দলের ব্যর্থতার পর তাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও নিজেদের দায় দেখছেন না সুজন। বরং তিনি ক্রিকেটারদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন।
'প্রথম কথা হলো- ব্যাপারটি কোচিং নিয়ে নয়, মানসিকতা নিয়ে। কোচিং বাংলাদেশ দলে যা হতো, এবার তার চেয়ে ভালো হয়েছে। কিন্তু কোচরা তো মাঠে খেলবে না। মাঠে খেলবে ক্রিকেটাররা। এই ছেলেরাই আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে, এই ছেলেরাই এবার ম্যাচ হারিয়েছে।'
তিনি বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার ফাস্ট বোলিং আরও ভালো ছিল, ভালো স্পিনার ছিল। ইংল্যান্ডেরও স্পিনার খারাপ ছিল না। তখন আমরা টার্নিং উইকেটে ভালো করেছি। এই সিরিজে চট্টগ্রামে নিষ্প্রাণ উইকেট ছিল, আমরা কত ভালো করেছি? ওই ম্যাচ হারতেও পারতাম। সাকিব মানের বোলার তো আমাদের ছিল না।'
খালেদ মাহমুদের মতে, জয়ের সুযোগ আমাদের ছিলো তবে মাঠে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করার কারণেই হারতে হয়েছে।
'শ্রীলঙ্কার সঙ্গে জিতলে আমরা এভাবেই জিততে পারতাম। আমরা সুযোগ সৃষ্টি করেছিলাম। প্রথম ইনিংসে যখন ৬ উইকেটে ১১০ ছিল ওদের রান, তখন দিলরুয়ান পেরেরার ক্যাচ পড়ল, তখন হয়ত ওদেরকে ১৪০ রানে অলআউট করতে পারতাম। তার পর যদি মুমিনুল রান আউট না হতো, আমরা ওভাবে ব্যাট না করে যদি ২২০ রানও করতাম, তাহলে ওই ৮০ রানের লিডই আমাদের ম্যাচ জেতাতো। সেটা হয়নি।'
এ সময় সুজন দলের ক্রিকেটারদের সামর্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
'এমন কি আছে, শ্রীলঙ্কার সাথে আমরা খেলতে পারবো না? ব্যাটিং লাইনআপ যদি দেখেন, কুশল মেন্ডিস, ধনঞ্জয়, এরা কে কয়টা টেস্ট ম্যাচ খেলেছে? আমাদের স্পিনার নেই। বলতে পারেন আমাদের সাকিব নেই। আমাদের রাজ্জাক ৫০০ উইকেট পাওয়া ফার্স্ট ক্লাস বোলার। কিভাবে বলবো অভিজ্ঞতা নেই? তাইজুলকে যদি দেখেন। আকিলা ফার্স্ট টেস্ট ম্যাচ খেলে ৫ উইকেট নিলো। তাইজুল তো আরও বেশি খেলছে। মিরাজ ইংল্যান্ডের সাথে ১৯ উইকেট নিয়েছে। আমরা কিভাবে বলবো আমাদের অভিজ্ঞতা নেই। আমরা কেউ এই জিনিসগুলো চিন্তা করি না। শ্রীলঙ্কা কী গড? ওদের প্লেয়াররা কী গড? ওরা কি স্টিভ স্মিথ? বা এরকম কিছু যে ২শ’ টেস্ট ম্যাচ খেলা প্লেয়ার। কেন এগুলো চিন্তা করি না আমাদের প্লেয়াররাই ভুল খেলেছে।'
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে হারের পর ব্যাপক আলোচনা হয় মিরপুরের উইকেট নিয়ে। সমালোচনা হয় কিউরেটর গামিনি ডি সিলভাকে নিয়েও। তখন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, নিজেদের চাওয়া মতো উইকেট পায়নি দল। এই প্রসঙ্গটাও টেনে আনে খালেদ মাহমুদ সুজন।
'ওয়ানডেতেও উইকেট নিয়ে কথা উঠেছে। ২২০ করতে (ফাইনালে) মনে হয় না উইকেট লাগে। আমরা পারিনি। টেস্টে অনেকে বলছে ঘূর্ণি উইকেটে খেলেছি কেন। ভুলে গেছি, টার্নিং উইকেটে আমরা বিশ্বমানের স্পিনার লায়নের বিপক্ষে খেলেছি।'
'প্রথম ইনিংসে দেখেন, শুরুতে লাকমল উইকেট তুলে নিয়েছে, কোনো স্পিনার নেয়নি। কোন বলে কিভাবে আউট হয়েছে, ওদের টেলএন্ডারদের ব্যাটিং, মিরাজের ব্যাটিংয়ের ময়নাতদন্ত করলে অনেক কিছু বের হবে। সেটা বের করতেও চাই না। উইকেটকে দোষ দেওয়ার কিছু নেই। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা ভালো খেলতে পারিনি।'
উইকেটের সমালোচনার বিষয়ে সুজন আরও বলেন, 'ক্যাচ ছাড়াটা উইকেটের দোষ না। মুমিনুলের রান আউট উইকেটের দোষ না। অন্যরা যেভাবে আউট হয়েছে...যদি উইকেটকে দোষ দিতে হয়, আমাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠ। আমরা আমাদের কাজটা করতে পারিনি। আমরা ভালো খেলিনি। জুজুর ভয়, উইকেট নিয়ে ভয় বা নেতিবাচক চিন্তা, যেটাই হোক আমাদের মধ্যে কাজ করেছে। উইকেট একটা অজুহাত মাত্র।'

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop