চাকরিদিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক অনলাইন পেশা

ইমতিয়াজ আহমেদ

fb tw
ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক অনলাইন পেশা। যেখানে বিভিন্ন উন্নত দেশের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির সাথে কাজ করছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান। কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনেকে প্রযুক্তি বিষয়ক কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন এসব প্রতিষ্ঠানে। তবে ভাষাগত দক্ষতার অভাব আর যোগাযোগের দুর্বলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। 
 
 অবসর সময় কাটাতে গান, বাজনা নিয়ে ব্যস্ত কোন একটি দল। দেখে মনে হতেই পারে বন্ধুদের নিছক কোন আড্ডার চিত্র এটি।
প্রকৃতপক্ষে একটি আইটি ফার্মের অফিস চালাকালীন সময়ের চিত্র এটি। কাজের মধ্যে একঘেয়েমির কোন সুযোগ দিতে চাননা তারা। এমনই আনন্দময় পরিবেশে দেশের হাজারও তরুন ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ করছেন বাংলাদেশে বসেই। যেখানে আইটি প্রযুক্তি বিষয়ক কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াও কাজ করছেন অনেক তরুণ তরুণী।
একজন আইটি কর্মী জানালেন, ‘সব কলিগরা একসঙ্গেই আমরা একটি ফ্যামিলির মতো থাকি। ৮-৯ বা দশ ঘণ্টা- যতক্ষণই আমরা থাকি, বোর ফিল করার কোনো অপশন আমরা রাখি না।’
আরেকজন বলেন, ‘এখানে অনেক প্রফেশনালস পাওয়া যায়। অনেক কোয়ালিটি পিপল উইথ এ কোয়ালিটি এনভায়রনমেন্ট- দ্যাট মেকস এ লট অফ চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে আমাদের কাজের স্পৃহাটা অনেক বেড়ে যায়।’  
ব্যক্তি পর্যায়ে দেশের অনলাইন পেশাজীবিরা যথেষ্ট এগিয়ে গেলেও নিয়মিত ও বড় ধরনের কাজ পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করেন অনেকে।
এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের আস্থা ধরে রেখে নিয়মিত কাজ করতে অনলইন প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকটাই এগিয়ে থাকে বলে মত স্বাধীন অনলাইন পেশাজীবিদের।
একজন ফ্রি ল্যান্সার বলেন, ‘যারা স্টার্টআপ করে কাজ করছে, কিংবা ছেঅট ছোট কোম্পানি ক্রিয়েট করে কাজ করছে, তারা অনেকদূর এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ তারা বড় বড় কাজগুলো নিয়ে আসছে এবং সেগুলো এক্সিকিউট করে আরও বেশি আয় করতে পারছে।’ 
আরেকজন বলেন, ‘আপনি যখন ভালোভাবে ট্রেইন্ড না হয়ে বাইরের কারো কাছ থেকে কাজ আনছেন, কাজটা ঠিকমতো ডেলিবঅরি দিতে পারবেন না। তখন দেখা যায় ক্লায়েন্ট বিরক্ত হয়ে ফিডব্যাক খারাপ দেয়। এক্ষেত্রে দেশেরও একটা ব্যাড ইম্প্রেশন তৈরি হয়ে যায়।’ 
দেশে বর্তমানে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই তরুণ। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সব থেকে ভাল উপায় অনলাইন ভিত্তিক পেশা। যেখানে সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি হতে পারে কর্মসংস্থানের সব থেকে বড় সমাধান। এমনটাই মত এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের।
কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইক কাজী বলেন, ‘একটা জিনিস তৈরি করবেন, সেটার ইন্সট্রাকশন বেশিরভাগ সময়েই কিন্তু ইংলিশে। কারণ ইংলিশেই হয় ৭০ শতাংশ কাজ। ওখানে আমরা খুবই দুর্বল। যেকোনো ডিসিপ্লিন এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক এখানে আসতে পারবেন। কারণ এখানে তাকে আমরা তৈরি করে নিই। তাকে শুধু ভালো ইংলিশ জানতে হবে। কারণ, আমরা আরেরিকা আর নর্থ আমেরিকার কাজ করি। আমাদের এখানে এমন লোক আছে যারা এখন হেড অফ ডিপার্টমেন্ট, অথচ’ যারা এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ শুরু করেছে ৫ বছর আগে।’    
দেশে এখন ৫ লাখেরও বেশি আইসিটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। বিশ্বব্যাপি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে যাদের অবদান মাত্র ১৬ শতাংশ। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop