ksrm

খেলার সময়নিজের সেরা ১৪টি মুহূর্তের কথা প্রকাশ করলেন মেসি (শেষ পর্ব)

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
ফুটবল বিশ্বে সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা। কেবল সময়ের বললে হয়তো কম বলা হবে, অনেকেই তাকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে ফেলেন। ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবকিছুই অর্জন করেছেন এ আর্জেন্টাইন। তবে আক্ষেপ একটাই, সেটাও বেশ বড়সড় আক্ষেপ। ঝুলিতে নেই কোন বিশ্বকাপ। সবশেষ বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নিয়ে গেলেও সোনার ওই কাপটাকে ছুঁয়ে দেখতে পারেননি। রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে টেনেহিচড়ে উতরেছে আর্জেন্টিনা। তাও ওই মেসির কল্যাণেই। তাই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগটা রাশিয়াতেও থাকছে।
সম্প্রতি নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সেরা ১৪টি মুহূর্তের কথা নিজেই প্রকাশ করেছেন মেসি। প্রথম পর্বে দেখে নেয়া যাক প্রথম সাতটি।
 
৮. বার্সেলোনা বনাম রিয়াল মাদ্রিদ (৩-৩) লা লিগা, ১০ মার্চ, ২০০৭।
'রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তিন গোল পাওয়া দারুণ অনুভূতি। এটা এমন একটি ম্যাচ যেটি সারা বিশ্বের মানুষ দেখে এবং প্রথম বারের মতো আমি এটি (রিয়ালের বিপক্ষে হ্যাট্রিক) অর্জন করি। হ্যাট্রিক সবসময় দারুণ ব্যাপার। এটি আরও স্পেশাল হয়ে ছিলো কারণ এটি এল ক্লাসিকতে এসেছিলো।'
৯. বার্সেলোনা বনাম গেটাফে (৫-২), কোপা ডেল রে, ১৮ এপ্রিল, ২০০৭।
'গোলটি ছিলো গেটাফের বিপক্ষে, মাঝ মাঠের কাছাকাছি বল পেয়েছিলাম এবং ডিফেন্ডারদের মধ্যে বেশ কিছুটা জায়গা পেয়েছিলাম। বলটা যখন রিসিভ করি তখন গোল করার কথা ভাবিইনি। আমি শুধু জায়গা খুজছিলাম যাতে পেনাল্টি এরিয়ার দিকে এগোতে পারি। আমি জায়গা নিচ্ছিলাম এবং এগিয়ে যাচ্ছিলাম শটটি নেয়ার আগ পর্যন্ত আমি কখনোই গোল করার কথা ভাবিনি। তবে আমি সবসময় গোলকে মূল্যায়ন করি তার গুরুত্বের বিচারে, এটির সৌন্দর্যের বিবেচনায় নয়।'
১০. আর্জেন্টিনা বনাম সার্বিয়া এন্ড মন্টিনেগ্রো (৬-০) বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব, ১৬ জুন ২০০৬।
'উপলক্ষটাই এমন যে দিনটা খুবই সুন্দর ছিলো-এটা ছিলো বিশ্বকাপ এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় ম্যাচ ছিলো। আইভরিকোস্টের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে আমি বেঞ্চে (খেলতে পারিনি) ছিলাম তবে সার্বিয়া এন্ড মন্টিনেগ্রোর বিপক্ষে শেষ ১৫ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। দলের ষষ্ঠ গোলটি আমি করেছিলাম। চমৎকার!'
১১. জুভেন্টাস বনাম বার্সেলোনা (১-৩), চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল, ৬ জুন, ২০১৫।
'ট্রেবল জয়ের যে মাহাত্ম সেটা আমরা উপলব্ধি করিনি। এটা একারণেই বিশেষ ছিলো যে আমরা সেরা দলের বিপক্ষে জয় পেয়েছিলাম। এটা খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিলো। আপনি খুবই ভালো খেলতে পারেন তবে একটি ম্যাচে একটু এদিক ওদিক হলেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যেতে পারেন।'
১২. রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা (২-৬), লা লিগা, ২ মে ২০০৯।
'উদযাপনটা ছিলো আমাদের পঞ্চম গোলের পর, সেটি আমার ছিলো দ্বিতীয় গোল। রাতটা বিশেষ ছিলো, আমরা বার্নাব্যুতে জিতেছিলাম। আমি নতুন পজিশনে খেলেছিলাম- 'ফলস নাইন'। ওই ম্যাচের জন্যই পেপ গার্দিওলা পরিকল্পনাটি করেছিলেন।'
১৩. বার্সেলোনা বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (২-০), চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল, ২৭ মে ২০০৯।
'এটা ভাবাও কঠিন যে, আমি হেডে গোল করছি আর রিও ফার্ডিন্যান্ড আমার কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে। আমি অতটা বাচবিচার করিনি, বলটা সেন্টারে আসলো এবং আমি সেখানেই তার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। জাভির ক্রস থেকে বলটি হাওয়ায় ভেসে আসলো, আমি গোল করলাম। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, এটা হয়েছে। এটা যেকোনো বিবেচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ গোল। দলের জন্য, ফাইনাল ম্যাচটা আমাদের ফেভারে চলে আসে এবং আমার জন্যও। এটা এখনও আমার প্রিয় গোলগুলোর একটি।
১৪. রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা (২-৩), লা লিগা, ২৩ এপ্রিল ২০১৭।
'এটা ছিলো পারফেক্ট রাত, যখন সবকিছু সঠিকভাবে হচ্ছিলো। আমি সবকিছুই পাচ্ছিলাম যাকিছু চাচ্ছিলাম। বার্নাব্যুতে গিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে আমি দু'টি স্পেশাল গোল করেছিলাম। দ্বিতীয় গোলটি এসেছিলো খেলার একেবারে মেষ মুহূর্তে যে গোলটি আমাদের জিতিয়েছিলো। আর এটাই হয়ে গেলো বার্সেলোনার হয়ে আমার ৫শ'তম গোল। এরচেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার ছিলো না আমার। ওই মুহূর্তে গোলটি করতে না পারলে লিগ টাইটেলকে গুডবাই বলে দিতে হতো। এই গোলটিই আমাদের লা লিগা জয়ের জন্য লড়ে যাওয়ার রসদ ছিলো।'

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop