ksrm

খেলার সময়হার দেখলো আবাহনী, মোহামেডান-দোলেশ্বর টাই

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
বিকেএসপিতে ৭ম রাউন্ডে এসে প্রথম হারের স্বাদ পেয়েছে ফেভারিট আবাহনী।
প্রাইম ব্যাংকের কাছে ৯ রানে হেরেছে টেবিল টপাররা। শরীফুলের বোলিং তোপে উড়ে গেছে সাইফ-বিজয়রা।
অন্যদিকে ফতুল্লায় চলতি মৌসুমের প্রথম টাই ম্যাচ দেখলো প্রিমিয়ার লিগ।
৫০ ওভারের কোটা শেষে মোহামেডান ও প্রাইম দোলেশ্বর, দু'দলের সংগ্রহ-ই ছিলো ২৮৬ রান। ফলে টাই হয়ে যায় ম্যাচটি।
অবশেষে থামলো আবাহনী। টানা ৬ ম্যাচ জয়ের পর, পা কাটলো পচা শামুকে। টেবিলের ৭ নম্বর দলের কাছে ৯ রানে হেরে বসলো বিকেএসপিতে।
সকালে টসে জিতে আবাহনীর বিপক্ষে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাইমের অধিনায়ক মনির হোসেন। তবে শুরুতেই মাশরাফি ম্যাজিকে ব্যাকফুটে ব্যাংক পাড়ার দলটি। দুই ওপেনারের বিদায়ে ক্রিজে জাকির হাসান ও আল আমিন।
একটু একটু করে এগোতে থাকে প্রাইম ব্যাংক। স্কোর বোর্ড সচল হয় তাদের ব্যাটে। ফিফটি করেন দুজন'ই। তখনই হাজির আবাহনীর ভারতীয় মানপ্রিত গণি। এসেই সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখা আল আমিনকে ফেরান ৮৪ রানে।
নেমেই তেড়েফুড়ে ব্যাটিং করতে থাকেন বিদেশী রিক্রুট ইউসুফ পাঠান। তবে সজীবের ঘূর্ণিতে স্থায়িত্ব ২৮ রান। আর কেউ দাঁড়াতে না পারায় ২৪৬ রানেই শেষ প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস।
টানা জয়ের মধ্যে থাকা দলটির জন্য আহামরি কোন টার্গেট ছিলোনা এটি। তবে চিরন্তন অনিশ্চয়তার খেলায় কিছুই যে স্থায়ী নয় তা আরেকবার প্রমাণ হলো বিকেএসপিতে।
ব্যাট করতে নেমে প্রাইমের আঁটোসাটো বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে নাভিশ্বাস উঠে সাইফ-বিজয়দের। তাড়াহুড়া করতে গিয়ে দুই অঙ্ক না ছুঁয়েই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ইনফর্ম বিজয়, শান্ত ও মিঠুন। একপাশে ক্রিজ আগলে রাখেন সাইফ হাসান।
নাসিরের সঙ্গে জুটিতে ভালোই চলছিলো আবাহনীর স্কোরবোর্ড। দলীয় ১৪৪ রানে অধিনায়কের বিদায়ে আবারো চাপে ধানমন্ডির জায়ান্টরা। সুযোগ আসে মোসাদ্দেক সৈকতের। তবে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করে তিনি ফিরেন ১৬ রানেই। রান আউটে কাটা পড়েন ৭৫ করা সাইফ হাসান। এরপর মাশরাফি, রাকিবরা চেষ্টা করলেও দলের হার এড়াতে তা যথেষ্ঠ হয়নি।
এদিকে ফতুল্লায় টাই হয়েছে মোহামেডান ও প্রাইম দোলেশ্বরের ম্যাচ। শুরুতে টস জিতে অধিনায়কের ব্যাট করার সিদ্ধান্তের যথার্থতা দিতে পারেনি মোহামেডানের প্রথম ৩ ব্যাটসম্যান। দায়িত্ব নিতে হয় অধিনায়ক শুভকেই। তার ৭৫ ও রকিবুলের ৭২ এর সঙ্গে বিপুল শর্মার ফিফটিতে ২৮৬ রানের ফাইটিং স্কোর পায় সাদাকালো জার্সিধারীরা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় দোলেশ্বর। লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে দুর্বার গতিতে এগুতে থাকে তাদের রান। তবে তার বিদায়ে হোঁচট খায় বুড়িগঙ্গা পাড়ের দলটি। দুই ফরহাদ চেষ্টা করলেও বাঁধ সাধেন মোহাম্মদ আজিম। একাই ৬ উইকেট তুলে নিয়ে গুটিয়ে দেন দোলেশ্বরকে।
স্কোরবোর্ডে তখন জ্বলজ্বল করছে ২৮৬ রান। ৫০ ওভার শেষে দু দলের'ই রান এক সমান্তরালে, ফলাফল ম্যাচ টাই।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop