বাংলার সময়তমব্রু সীমান্তে উত্তেজনার আপাতত অবসান

কমল দে

fb tw
বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তে গত তিনদিন ধরে চলা উত্তেজনার আপাতত অবসান হয়েছে।
অতিরিক্ত সেনা সমাবেশ ও অস্ত্রের মহড়া থাকলেও, বিজিবির টহল জোরদারের পর সীমান্ত থেকে সরে পড়েছে তারা। এতে শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়া রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
এদিকে, মিয়ানমারের সেনা সমাবেশের বিপরীতে সীমান্তে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
 
বৃহস্পতিবার থেকেই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের তমব্রু পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছিলো মিয়ানমারের সেনারা। এমনকি সবশেষ শুক্রবার রাতে আরও সাতটি ট্রাকে করে সেনা নিয়ে আসে তারা। অন্তত পাঁচশ সেনা অবস্থান নেয় তমব্রু সীমান্তের খুব কাছাকাছি।
এদিকে বিজিবিও তাদের টহল জোরদার করে। এরপরে শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায় পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায়। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি টহল দর মিট পতাকা নিয়ে কোনারপাড়া হয়ে তমব্রু জিরো পয়েন্টের দিকে এগিয়ে গেলে মিয়ানমারের সেনারা ছয়টি ট্রাকে করে সেখান থেকে সরে পড়ে।
এমনকি বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁসে তৈরি বাঙ্কারে অবস্থান নেয়া সেনারা দ্রুত চলে যায় সেখান থেকে।
এক স্থানীয় বলেন, 'বিজিবির ২০-২৫ জনের একটা টহল দল দেখে তারা এখান থেকে সরে গেছে।'
এক রোহিঙ্গা বলেন, 'বিজিবি টহল দল দেখে মিয়ানমার সেনারা চলে গেছে। তাদের মাইকিংও বন্ধ হয়ে গেছে।'
আরেকজন রোহিঙ্গা বলেন, 'মিয়ানমারের সেনাদের ভয়ে খুবই আতঙ্কে ছিলাম। বিজিপি গাড়ি নিয়ে চলে যাওয়ায় আমরা খুবই খুশি।'
গত তিনদিনের সীমান্ত উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং তমব্রু সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, 'সীমান্তে যদি কোন ঘটনা ঘটে সেখানে বিজিবির কাজ ওটা লক্ষ্য রাখা এবং সতর্ক থাকা ও সীমান্ত পাহারা দেয়া। উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা ঘটেনি। দু'দিন আগে আমরা সীমান্তে অস্থিরতা দেখেছি সে তুলনায় সীমান্তের অবস্থা এখন অনেক ভালো এবং শান্ত। আমাদের সতর্ক থাকা দরকার। সীমান্তে বিজিবির যে সদস্যগণ, তারা সবসময় সতর্ক আছে। এখন পর্যন্ত আতঙ্কিত হবার মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি। তেমন কিছু হলে আমাদের প্রস্তুতি আছে, আমরা লক্ষ্য রাখবো। আমাদের মাতৃভূমিতে কোন সমস্যা হবে না।'
গত ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরুর পর বেশ কিছু রোহিঙ্গা তমব্রু সীমান্তের নোম্যানস ল্যান্ডে আটকা পড়ে। বিভিন্ন সময় তাদের সেখান থেকে সরাতে উস্কানিমূলক তৎপরতা চালিয়ে আসছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
মিয়ানমারের সেনারা সীমান্ত এলাকা থেকে সরে যাবার পর এক প্রকার ফাঁকা রয়েছে পুরো এলাকা। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে নোম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান নেয়া সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop