ksrm

খেলার সময়য়্যুভেন্তাসে উচ্ছ্বাস, টটেনহামে হতাশা

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
টটেনহ্যাম হটস্পারকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে খুশি য়্যুভেন্তাস কোচ। নিজ দলের খেলোয়াড়দের প্রশংসাও করলেন তিনি।
 
অন্যদিকে হেরে হতাশ টটেনহ্যাম কোচ। সুযোগ মিস করায় দল হেরেছে বলে মত তার।
য়্যুভেন্তাস কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি  বলেন, 'আমরা সত্যি খুশি, কারণ এই জয়ে আমরা সেরা আটে পৌঁছে গেছি। আমি সব সময় বলি, লক্ষ্য ঠিক থাকলে সব সম্ভব। খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিতে হয়, ওরা অসাধারণ খেলেছে। সবাই বার্সেলোনা রিয়াল মাদ্রিদ নিয়ে আলোচনা করে, হতে পারে তারা ফেভারিট। তার মানে এই নয় যে, আমারা খারাপ দল।'
এদিকে টটেনহাম কোচ মরিসিও পচেত্তিনো বলেন, 'আমি হতাশ। কারণ আমরা বেশ কিছু সুযোগ মিস করেছি। সত্যি দল থেকে আরো বেশি কিছু আশা করেছিলাম। যাই হোক, ভবিষ্যতে আমরা আরো ভাল করার চেষ্টা করবো।'
বুধবার পিছিয়ে গিয়েও দিবালা-হিগুয়াইনের গোলে দারুণ জয় তুলে নিলো য়্যুভেন্তাস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম যেন টটেনহ্যামের দুর্গ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাজা রিয়াল মাদ্রিদকেও গ্রুপ পর্বে ফিরতে হয়েছে হার নিয়ে। শীর্ষ ষোলোর প্রথম পর্বে য়্যুভেন্তাসের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফেরায়, গোল শূন্য ড্র কিংবা নূন্যতম ব্যবধানে জয়ই নিশ্চিত করতো টটেনহ্যামের কোয়ার্টার ফাইনাল।
শুরু থেকে সেরকমই ইঙ্গিত দেয় পচেত্তিনোর দল। স্পারদের একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা য়্যুভেন্তাস। হিউ মিন সনের প্রচেষ্টা বিফলে যায় বুফন বীরত্বে।
প্রথমার্ধের পুরোটাই দাপট নিয়ে খেলেছে স্বাগতিকরা। কিন্তু বারবার তাদের গোলের সামনে গিয়েও হতাশ হতে হয়। ৩৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো টটেনহ্যাম। এবার গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, পোস্টের বাইরে দিয়ে যায় সনের নেয়া শট।
অবশেষে তৃতীয় প্রচেষ্টায় সফলতা পান সন। ৩৯ মিনিটে জুভ ডিফেন্স প্রতিহত করতে পারেনি এই দক্ষিণ কোরিয়ানকে।
গেলোবারের রানার্সআপ য়্যুভেন্তাসের কোয়ার্টারে যেতে দরকার গোল। প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকলেও, বিরতির পর ভিন্ন রুপে তুরিনের ওল্ড লেডীদের আক্রমণভাগ। ৬৪ মিনিটে অ্যালেগ্রির দলের হয়ে সমতা আনেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হিগুয়াইন।
স্পারদের কোয়ার্টারে ওঠার স্বপ্নে ধাক্কা লাগে এর ২ মিনিট পরেই। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন পাউলো দিবালা। এরপর আর বুফন দেয়াল ভাঙ্গতে পারেনি টটেনহ্যাম। তাই ওয়েম্বলি থেকে স্মরনীর জয় নিয়ে ফেরে য়্যুভেন্তাস।
এদিকে আরেক ম্যাচে এফসি বাসেলের মুখোমুখি হয় ম্যান সিটি। প্রতিপক্ষের মাঠে ৪-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে কোয়ার্টার নিশ্চিতই ছিলো সিটিজেনদের। বাসেলের সেরা আটে যাবার অংকটা ছিলো অনেকটা অসাধ্য সাধনের মত। কিন্তু এতিহাদে তারা যা করে দেখালো তাই বা কম কিসে।
দ্বিতীয় সারির দল নিয়েও শুরুতেই এগিয়ে যায় ম্যান সিটি। ইনজুরি থেকে প্রথম গোলের দেখা পান গ্যাব্রিয়েল জেসুস। তবে এর কিছু সময় পরেই সমতা আনে বাসেল। এরপর ম্যাচের ৭১ মিনিটে ল্যাংয়ের গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় এতিহাদ।
বাকি সময়টুকু চেষ্টা করেও আর সমতা আনতে পারেনি ম্যান সিটি। তাই গার্দিওলার দলের ২০১৬ সালের পর ঘরের মাঠে প্রথম হারে, কোয়ার্টারে যাবার আনন্দ কিছুটা হলেও ম্লান হয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop