ksrm

খেলার সময়অতিমানবীয় মুশফিক, বাংলাদেশের জয়

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
শেষ ওভারে দরকার ছিলো ৯ রান। দুই বল বাকি থাকতেই জিতে নিলো টাইগাররা। টি-২০তে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চা রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েলো বাংলাদেশ। ২১৫ রানই টি-২০ ক্রিকেটে টাইগারদের সর্বোচ্চা ইনিংস।
 
এরআগে টি-২০তে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিলো ১৯৩। গত মাসে ঢাকায় এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ইনিংসটি খেলোছিলো বাংলাদেশ। আর সর্বোচ্চ ১৬৫ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ছিলো আগে।
ষোলতম ওভারে ৫টি বল হয়ে যাবার পর বাংলাদেশের রান ছিলো ১৬৪। অর্থাৎ জয়ের জন্য ২৫ বলে দরকার ছিলো ৫১ রান। মুশফিক ১৯ বলে ৩৬ রান এবং মাহমুদুল্লাহ ব্যাট করছিলেন ৬ বলে ৭ রান নিয়ে। তিসারা পেরেরা ওভারের শেষ বলটি হয় 'নো' সঙ্গে ছক্কা হাঁকান মাহমুদুল্লাহ। ফ্রি হিটের বলটিকেও বাউন্ডারি পার করেন। ম্যাচ অনেকটাই সহজ হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য। তবে ম্যাচ শেষ হবার দুই ওভার আগে চামিরার স্লোয়ারে কুশাল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দেন টাইগার অধিনায়ক। আবারও ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। ১৯তম ওভারে কোন রান না করেই রানআউট হন সাব্বির। তবে একপাশে অটল ছিলেন মুশফিক। ক্যারিয়ারসেরা ৭২ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন মুশি। বল খেলেন মাত্র ৩৫টি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২১৫/৫ তামিম ৪৭*, লিটন ৪৩, মুশফিক ৭২*; প্রদীপ ২/৩৭।
শ্রীলঙ্কা: ২১৪/৬ মেন্ডিস ৫৭, কুশাল পেরেরা ৭৪, উপল থারাঙ্গা; মাহমুদুল্লাহ ২/১৫, মোস্তাফিজ ৩/৪৮।
বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা মুশফিকুর রহিম।
টার্গেটটা বড়। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে একদিকে যেমন জয়টা জরুরি। তার চেয়ে বেশি জরুরি হারের বৃত্তে বিভ্রান্ত বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোটা।
এদিন টপ অর্ডারে দেখা গেলো একটু পরিবর্তন। তামিমের সঙ্গে সৌম্য নয়, বরং ওপেনিং করলেন লিটন কুমার দাস। আস্থার প্রতিদান দিতে কার্পন্য করলেন না লিটন। ক্যারিয়ার সেরা ৪৩ রান করলেন মাত্র ১৯ বলে। এরপর তামিমের ব্যাটে ইনিংসের দশম ওভারেই শতক ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তবে ২৯ বলে ৪৭ রান করে থিসারার বলে তারই হাতে ক্যাচ দেন তামিম। এরপর মুশফিকের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সৌম্য সরকার।
এরআগে প্রথমে ব্যাট করে ২১৪ রান করে স্বাগতিকরা। টি-২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই লঙ্কানদের সর্বোচ্চ ইনিংস।
বৃষ্টি বিঘ্নত দিনে টস জিতে অধিনায়কের আগে ফিল্ডং করার সিদ্ধান্তটাকে সঠিক প্রমাণ করতে পারেননি বোলাররা। শুরু থেকেই ঝড় তুলতে থাকা লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের কোনভাবেই থামাতে পারেননি তাসকিন, মোস্তাফিজরা। রবং রান খরচের প্রতিযোগিতায় মাতেন তিন পেসার।
দলীয় ৫৬ রানে দারুন কাটারে ওপেনার ধানুশকা গুনাথিলাকাকে (২৬) ফেরান মোস্তাফিজ। এরপর কুশাল পেরেরাকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন কুশাল মেন্ডিস। মেন্ডিস ৫৭ রানে মাহমুদল্লাহর শিকারে পরিণত হলেও লড়াই চালিয়ে যান কুশাল পেরেরা।
তবে মেন্ডিসকে ফেরানোর পর একই ওভারে অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমালকেও সাজঘরের রাস্তা দেখান মাহমুদুল্লাহ। চার উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও টাইগারদের বোলিংকে আবারও ম্লান করে দেন ষষ্ঠ উইকেটে নামা উপল থারঙ্গা। ৭৫ রান করে শেষ ওভারে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হন কুশাল পেরেরা। একই ওভারে শূন্য রানে ফেরেন থিসারা পেরেরা। থারঙ্গা ১৫ বলে ৩২ এবং ২ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন জীবন মেন্ডিস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২১৫/৫ তামিম ৪৭*, লিটন ৪৩, মুশফিক ৭২*; প্রদীপ ২/৩৭।
শ্রীলঙ্কা: ২১৪/৬ মেন্ডিস ৫৭, কুশাল পেরেরা ৭৪, উপল থারাঙ্গা; মাহমুদুল্লাহ ২/১৫, মোস্তাফিজ ৩/৪৮।

আরও পড়ুন

ধর্ষণ, ঠেকাতে হবে এখনি এমন রেকর্ড খুব বেশি দেখেনি ক্রিকেট বিশ্বসাব্বিরকে দল থেকে বাদ দেয়ার দাবি দর্শকদের

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop