ksrm

খেলার সময়রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে ভোল পাল্টালো মিয়ানমার

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘকে এতদিন গুরুত্ব না দেয়া মিয়ানমার ভোল পাল্টে এবার তাদেরকেই পাশে চেয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা নিতে আগ্রহী তারা।
 
তবে সংস্থাটি রোহিঙ্গাদের 'জাতিগত নিধন' এবং 'গণহত্যার' যে অভিযোগ তুলেছে, একদিনের মাথায় তা নাকচ করে দিয়েছে দেশটির সেনা শাসিত সরকার। এছাড়া এবারও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।
মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে দ্রুতই মুক্তি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ বাড়ছে। দেশটিতে নিযুক্ত বিভিন্ন দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের শাস্তি না দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এরইমধ্যে আরও একটি শুনানি শেষে বেরিয়ে দুই সাংবাদিকের একজন জানান, মিয়ানমার থেকে সংবাদ প্রকাশ করে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়টি তুলে ধরার সময় এসেছে।
এক সাংবাদিক বলেন, 'রাখাইনে কী ঘটেছে তা মিয়ানমারবাসীকে জানানো দরকার। সত্য সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। যতদিন যাচ্ছে, মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যাকে ততো জটিল করছে।'
এদিকে, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা গণহত্যার নতুন করে যে অভিযোগ তুলেছে তা নাকচ করে দিয়েছে মিয়ানমার। বরং তারা বলছে, রোহিঙ্গা নির্যাতন বা শোষণের কোনো কাজেই তাদের সেনারা জড়িত নয়।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক উ অং তুন থেট বলেন, 'রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন ও গণহত্যার কোনো সত্যতা নেই। কিন্তু বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষ সহজভাবে নিচ্ছে না। আমরা বলতে চাই- আমাদের সেনাবাহিনী কোনো মন্দ কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।'
মিয়ানমারের এমন অস্বীকারের মধ্যেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আবার সুর পাল্টেছে দেশটি। রোহিঙ্গা ফেরাতে এতদিন তৃতীয় কোনো পক্ষকে মেনে না নেওয়ার ঘোষণা দেয়া মিয়ানমার এবার জাতিসংঘকে পাশে চেয়েছে। বুধবার তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আহ্বান জানানো হয়।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মিন্ট থু বলেন, 'জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউ.এন.এইচ.সি.আর এবং উন্নয়ন কর্মসূচি ইউ.এন.ডি.পি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এগিয়ে আসতে পারে। আমরা তাদের আহ্বান জানাচ্ছি, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে তারা সহায়তা করুক। এজন্য তারা আনুষ্ঠানিক কর্মপরিকল্পনা দিলে আমরা তা গ্রহণ করবো।'
'ঝুলন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন' প্রক্রিয়ার মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে। এ বিষয়ে মমতা সরকার সতর্কতা জারির কথা ভাবছে।
এদিকে, গতবার সম্মেলনে অংশ না নিলেও এপ্রিলে সিঙ্গাপুরে আসিয়ানের পরবর্তী আসরে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি যোগ দেবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop