ksrm

মুক্তকথা‘সাফল্য অর্জনে শর্টকাট নেই’

জাহিদুল ইসলাম রিফাত

fb tw
somoy
সফলতা কোনো বস্তু বিশেষ নয়। একে ধরা বা ছোঁয়া যায় না। অনেক কাজের যোগফলেই আসে সফলতা। আমরা সফল হতে চাই। কিন্তু কষ্ট করতে চাই না। দেরিও সহ্য হয় না। বিশেষত বর্তমান প্রজন্মের কোনকিছুর প্রতিই যেন আগ্রহ নেই। জানার কৌতূহল এবং শেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষাও কমে যাচ্ছে। আমাদের সঠিক জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও বুদ্ধিমান হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে যাই। রাখঢাক করে সত্যকে মিথ্যা হিসেবে অভিহিত করি। কোনরকমে শিক্ষাজীবন শেষ করে, জ্ঞান অর্জনের ইতি টেনে, দ্রুত অর্থবিত্ত লাভের প্রতিযোগিতায় নেমে যাই।
সাফল্য মানে আনন্দ। সবচেয়ে বড় আনন্দ সৃষ্টির মাধ্যমে আনন্দ। যিনি সৃষ্টি করেন, তিনিই এই আনন্দ অনুভব করতে পারেন। আমরা জন্মলাভ করি সৃষ্টির মাধ্যমে। বৈধভাবে এই সৃষ্টির জন্য দরকার বিবাহিত জীবন এবং নারী-পুরুষের শারীরিক মিলনের আনন্দ। এই আনন্দ লাভের জন্য তো আমরা কখনো শর্টকাট খুঁজি না! বরং কিভাবে দীর্ঘ সময় এই আনন্দ উপভোগ করা যায়, তার অনুসন্ধান করি। দরকার হলে, পর্যাপ্ত অর্থব্যয় করতেও কার্পণ্য করি না!
বর্তমান বাস্তবতা:
পেশাজীবী, শিক্ষিত বেকার এবং তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে, আর কোনকিছু পড়ার দরকার আছে বলে মনেই করি না। এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাক্রমের বইগুলোও পরিপূর্ণভাবে পড়ি না। পাস করার এবং সার্টিফিকেটের জন্য বিশেষ বিশেষ অংশ কোনমতে পড়ি। পড়াশোনার গভীরে যাই না। বর্তমানে এসব বিষয় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার, বলার, জানানোর এবং শেখানোর মানুষের অভাব। অথবা প্রয়োজনই মনে করছি না। শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের সাজেশন নামের (পড়াশোনার সারাংশ) বস্তুটি নিজ হাতে ধরিয়ে দেন। যে শিক্ষকের সাজেশন থেকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বেশি আসে, সেই শিক্ষকের দাম ও সুনাম তত বেশি! আয় রোজগারও বেশি। আবার অনেকেই শিক্ষাক্রমের বাইরে কোনো বই পড়ি না। তাই পারিপার্শ্বিক জীবন-জগতকে জানতে পারি না। অর্থাৎ সর্বস্তরে পাঠাভ্যাস ক্রমাগত কমছে। অথচ বই-ই একমাত্র সঙ্গী যা কখনো ঠকায় না। বই আমাদের থেকে নেয় না, দেয়। একই সঙ্গে আমাদেরকে বিকশিত করে। যার মাধ্যমে আমরা নানা ধরনের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করি।
আরও আশ্চর্যের ব্যাপার, অনেকেই প্রতিদিন দৈনিক পত্রিকাও পড়ি না। অথচ একটি দৈনিক পত্রিকা প্রতি সপ্তাহে জীবন-জগত ও পৃথিবীর প্রায় সব ধরনের বিষয়বস্তু নিয়ে প্রাথমিকভাবে হলেও ধারণা দেয়। আমাদের ভেতরকে সমৃদ্ধ করে জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষাকে জাগিয়ে তোলে। যা আবার বাস্তব জগতেও অনেক কাজে দেয়। সব পেশাতেই উন্নতির জন্য এবং তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আজীবন পড়াশোনার দরকার হয়। কিছু পেশায় (শিক্ষক, আইন, চিকিৎসক ইত্যাদি) আজীবন পড়াশোনা খুবই জরুরি।
শর্টকাটে আর্থিক সাফল্যের প্রচেষ্টা:
বর্তমানে 'মানুষের হাট' থেকে শুরু করে বেশিরভাগ পেশাজীবীরাও সততার সঙ্গে পরিশ্রম করতে চাই না। এমনকি একজন রিকশাঅলা এবং অটোরিকশার চালকও তার শ্রম ও আইন অনুযায়ী ন্যায্য পাওনার অতিরিক্ত অর্থ আশা করেন। বিশেষ সময় বা দিন হলে তো কথাই নেই। চাকরিজীবীদের মধ্যেও অনেকেই নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে চাই না। দায়সারাভাবে শ্রম ঘণ্টা শেষ করে, মাস শেষে পর্যাপ্ত অর্থ আশা করি। বছর ঘুরে আরো আয়বৃদ্ধির প্রত্যাশা করি।
আবার চাকরিজীবী থেকে শুরু করে সমাজের প্রায় সর্বস্তরে অনেকেই কাজের উপযুক্ত পারিশ্রমিক বাদেই, কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে নিই। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী আইনসহ সব ধরনের নিয়ম-নীতি ও নৈতিকতা মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবসা করি না। অধীনস্ত কর্মচারীদের প্রতিও তাদের ধ্যান-ধারণা শত বছর আগের। কিন্তু সর্বস্তরের মানুষই সফল হতে চাই। অর্থবিত্ত চাই। এবং সেটা কত দ্রুততম সময়ে সম্ভব, সেই প্রচেষ্টার সন্ধান করি। নীতি, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ঝেড়ে ফেলে আর্থিক সাফল্যের প্রচেষ্টায়, অনেকে শর্টকাট রাস্তাও খুঁজি। এজন্য অনৈতিক পথ বেছে নিতেও দ্বিধা করি না! শিক্ষাজীবন শেষ করে বা কিছুদিন চাকরি-বাকরির পর, অনেকেই মনে করেন, "জানা বা শেখা তো শেষ। যতটুকু জানা দরকার, তারচেয়ে বেশিই তো জানি। কিন্তু সফলতা আসে না কেন?" আসলে তিনি ব্যক্তি হিসেবে নয়, আর্থিকভাবে সফল হতে চান।
সাফল্য অর্জনের গভীরে:
সাফল্য লাভের মূলমন্ত্রই হচ্ছে, আগ্রহের বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে লেগে থাকা। একই সেই সঙ্গে দরকার বিশেষ প্রচেষ্টা এবং নিবিড় সাধনা। পাশাপাশি পড়া আর পড়া। যে কাজে আগ্রহ বা আনন্দ নেই, সে কাজে কখনো সাফল্য আসবে না। যে কাজ পছন্দ বা ভালো লাগে, এমন আগ্রহের বিষয় নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে। তারপর নিষ্ঠার সঙ্গে একাগ্রচিত্তে দিনের পর দিন তাতে লেগে থাকতে হবে এবং চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। হাল ছাড়বেন না। গতি প্রবাহ সবসময় একই থাকবে না। তবে গতি প্রবাহ অব্যাহতভাবে বজায় রাখতে হবে। প্রয়োজনে দিক একটু এদিক-ওদিক করতে হতে পারে, কিন্তু মূল লক্ষ্য ঠিক রাখতে হবে। যেমন হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ সচল রাখতে বাইপাস অপারেশন করা হয়ে থাকে। আবার শহরের ভেতর দিয়ে বা একই সড়কে অতিরিক্ত যান চলাচল কমাতে বাইপাস সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করানো হয়। কোনো সড়ক দিয়ে বিশেষ কেউ আসবেন বা কোনো সড়কে সভা-সমাবেশ চলছে এরকম নানাবিধ কারণে ডাইভারশন করে যান চলাচলের দিক পরিবর্তন করানো হয়। অর্থাৎ সাফল্য অর্জনের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও গতি চলমান রাখতে হবে।
 
সফলতা অর্জন করতে হলে, পাছে লোকে কিছু বলে, এ ভাবনা থেকে একেবারেই বেরিয়ে আসতে হবে। পেছনে হয়তো অনেকে অনেক কথাই বলবে। সেসবে কখনোই কান দেবেন না। সাফল্য অর্জনে আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 'আস্থা অর্জন' করা। এজন্য ব্যক্তিকে কাজের মধ্যদিয়ে সংশ্লিষ্টদের আস্থায় আনতে হয়। আস্থা অর্জনের জন্যও চর্চা আর গভীর অনুসন্ধান দরকার। এক সময় সফলতা আসবেই। অর্থবিত্ত তো বটেই। আর যত পারেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সফল ব্যক্তিদের জীবনী পড়ুন।
সাফল্য অর্জনে আরো কিছু কথা:
সাফল্যের কোন সংজ্ঞা, মাপকাঠি বা পরিসীমা আছে কী? নৈতিকভাবে যেকোনো সাফল্য অর্জনের জন্য শর্টকাট কোনো রাস্তাও নেই। কিন্তু যুগ যুগ ধরেই ব্যক্তির আর্থিক সফলতাকেই আমাদের সমাজে ব্যক্তির সার্বিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এজন্য ক্রমবর্ধমানভাবে অনৈতিক সাফল্যের দিকেই ঝোঁকটা আমাদের বেশি। আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া অন্যমত কারণ। এছাড়া আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে- ব্যক্তি দেখেন, অনেকেই অনৈতিকভাবে সাফল্য (আর্থিক) অর্জন করছেন। আইনগতভাবেও তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। এজন্য আমরা সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে সেদিকেই ছুটছি। বিষয়টির গভীরে যাওয়ার প্রতি আমাদের কোনো আগ্রহই নেই। যদিও দুর্নীতি দমন কমিশন যেকোনো কর ফাঁকি, অর্থ আত্মসাত থেকে শুরু করে, অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীর বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে দুদক-কেও নানা প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে যেতে হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীর বিরুদ্ধে দুদকের এই ব্যবস্থাও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে 'পার পাওয়ার কোনো উপায় নেই', এমন ভীতির সঞ্চার করতে পারেনি।
আর্থিকভাবে সাফল্য অর্জনকেই সফল ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করে, বর্তমান সমাজব্যবস্থা শিক্ষিত-অশিক্ষিত সব পর্যায়ের মানুষের ভেতরের দৃষ্টিভঙ্গিকে আমূল বদলে দিয়েছে। অথচ ব্যক্তির আর্থিক সাফল্য আর সফল ব্যক্তি, দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। আর্থিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী ব্যক্তি হচ্ছেন ধনী বা ধনাঢ্য ব্যক্তি। অন্যদিকে সফল হতে চান এমন ব্যক্তি কখনোই শুধু অর্থের পেছনে ছোটেন না। তার থাকে নিজস্বতা। নতুন কিছু সৃষ্টিতে বা তার চিন্তায় থাকে ভিন্নতা। তিনি শুধু প্রথম নয়, সেরা হতে চান। মনের গহীনে থাকে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর তীব্র বাসনা। তিনি বর্তমান বাস্তবতার কষ্টকে তুচ্ছ মনে করেন। তার থাকে দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ, কাজের প্রতি নিষ্ঠা, বিরামহীন নেশা আর একাগ্রতা। এভাবেই এক সময় তিনি সফলতা অর্জন করেন। তাতে তার অর্থবিত্ত আসতেও পারে, নাও আসতে পারে। তবে দেখা যায়, বেশিরভাগ সফল ব্যক্তিই আর্থিকভাবেও সফলতা অর্জন করে থাকেন।
দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য:
যেকোন সফলতা বা সাফল্য অর্জন করার পর দায়িত্ব বেড়ে যায়। তাই সাফল্য অর্জনের পর, সেটা দীর্ঘস্থায়ী হিসেবে ধরে রাখতে প্রচেষ্টাও অব্যাহত চালিয়ে যেতে হয়। সফলতা অর্জনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী আনন্দের জন্য দরকার সাধনা। অনৈতিকভাবে বা শর্টকাটে পাওয়া সাফল্যে কখনো সেই আনন্দ আসে না। মানুষ হিসেবে আনন্দের স্থায়িত্ব বাড়াতে তাই শর্টকাট রাস্তা খোঁজা উচিত নয়।
তারপরও শর্টকাটে (যেকোন অনৈতিকতায়) কেউ যদি কিছু অর্জন করে, সেটা বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও, ব্যক্তি মাত্রই জানেন যে, তার ভেতরটা ফাঁপা। স্বীকার না করলেও ভেতরে ভেতরে সে অপরাধবোধেও ভোগে। শিক্ষা থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য। তাই সেই অর্জনকে আমরা "কৃত্রিম সাফল্য" বলতেই পারি। কৃত্রিম সফলতা দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই হওয়ার বদলে, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই সময়ের মেয়াদ দিন-মাস-বছর হিসেবে কতদিন তা বলা মুশকিল।
দরকার অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব:
স্কুল বা কলেজ জীবনে সেরা ফল লাভ করা এবং সেরা ফলে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করাটাও সাফল্য। পরিবার বা সমাজে ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতিকে আমরা ‘ব্যক্তি সাফল্য’ বলতে পারি। বর্তমানে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা এই 'ব্যক্তি সাফল্য' বা 'ভালো মানুষ'কে মূল্যহীন করে রেখেছে। কালেভদ্রে দু'একজনকে 'সাদা মনের মানুষ' অভিহিত করে স্বীকৃতি দেয়া হয়ে থাকে। এটা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার দায়। আমরা এর একেবারে অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। মানুষ এখন সৎ আর সততাকে মূল্যহীন মনে করেন। ফলে আমাদের সামনে অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বের অভাব প্রকট আকার ধারণ করছে।
খুব বেশিদিন না, প্রায় তিন যুগ আগেও, দ্রুততম সময়ে কোনো ব্যক্তির আর্থিক সাফল্যের কারণ অনুসন্ধান করা হতো সমাজের ভেতরেই। বর্তমানে ব্যক্তির আর্থিক সাফল্য অসততা বা অনৈতিকতার মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে কি না, তার কোনো বাছবিচার কেউই করেন না। সমাজে বরং তাকেই বুদ্ধিমান ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়। এজন্য পরিবারে বা সমাজে সৎ জীবনযাপনকারী মানুষকে অত্যন্ত অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। মনে করা হয়, অসৎ বা অনৈতিকতা না করতে পারাটা ওই ব্যক্তির অযোগ্যতা অথবা তার কোনো বুদ্ধিই নেই।
আবার কেউ কেউ বলে থাকেন, ‘ওই ব্যক্তি সুযোগের অভাবে সৎ। সুযোগ পেলে উনিও দু'নম্বরী করে অর্থ উপার্জন করতেন।’ একবারও মানুষের ভাবনায় নেই যে, অনৈতিকভাবে আর্থিক সাফল্য অর্জন করে তিনি কী কী করতে পারেন? তাছাড়া তিনি কী মানসিকভাবে এক মুহূর্তের জন্যও শান্তি পান? উনি যে তার সারাজীবনের অর্জিত অর্থবিত্ত ভোগ করে যেতে পারবেন, তার নিশ্চয়তা কী? অথবা অসৎভাবে অর্জন করা অর্থবিত্ত স্ত্রী-সন্তানের জন্য রেখে গেলে ব্যক্তি হিসেবে তার লাভ কী? অন্যদিকে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জনকারী ব্যক্তি, তার পরিবারে সন্তানকে সৎ উপদেশ দিতে পারেন? বা তার সৎ উপদেশ স্ত্রী-সন্তান শুনবেন? তাকে সম্মান করবেন? তাহলে তার অর্জন কী? অসৎ ব্যক্তি কখনো এসব নিয়ে ভাবেন না, চিন্তিতও নন। দীর্ঘদিন বিপথে চালিত মানুষ সহজে আর সুপথে আসতে পারেন না। তাই একটা পর্যায়ের পর, নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তির হিতাহিত বোধবুদ্ধি একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।
এসব নিয়ে ভিন্নমত বা নানা ধরনের বিতর্ক থাকতেই পারে। তবে সমাজবিজ্ঞানীদের জন্য এটি দীর্ঘ এক আলোচনার এবং গবেষণার বিষয়বস্তু। কারণ এ গড্ডালিকা প্রবাহ থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসতেই হবে। উত্তরণের পথ বের পারেন তারাই। একই সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সুশিক্ষিত অংশীদারদেরও। আর তা দীর্ঘমেয়াদি হলেও এখন থেকেই বাস্তবায়নে কাজ শুরু করতে হবে রাষ্ট্রকেই।
লেখক: মো. মাসুম হোসেন ভূঁইয়া
জ্যেষ্ঠ বার্তাকক্ষ সম্পাদক, সময় সংবাদ
সদস্য: বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ)
ইমেইল: masumlabib@gmail.com

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop