ksrm

খেলার সময়'কখনোই ভাবিনি আমার কারণে বাংলাদেশ হেরে যাবে, আমি ক্ষমাপ্রার্থী'

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
দুই বল বাকি থাকতেও পড়লো ভারতের উইকেট। কিন্তু পরের বলে দিনেশ কার্তিকের আরেকটা ছয়। এবং আরও একবার শিরোপার খুব কাছে গিয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশের।
 
দুর্দান্ত বল দিয়েই শুরু করেছিলেন রুবেল। ম্যাচের আগের ৩ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ইনফর্ম ব্যাটনম্যান শেখর ধাওয়ান ও সুরেশ রায়নার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচটাকে শেষ ওভারে নেওয়ার পেছনে কম অবদান ছিল না তার। কিন্তু নিয়তির কি পরিহাস, ১৯তম ওভারেই সেই রুবেল দিলেন ২২ রান।
একই সঙ্গে ম্যাচটিও চলে যায় অনেকটা ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই হারের দায়টা অনেকটা যে রুবেলের ওপর পড়ছে সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন ডানহাতি এই পেসার। আর এ কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন রুবেল। যদিও এরপর কমেন্টে ক্ষমা চাওয়ার কিছুই নেই বলে জানিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশিরা। তাদের দাবি, আপনি নিজের শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করেছেন। ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না।
এমন ঘটনার পরে বোলার রুবেল তার ফেসবুকের ওয়ালে একটি পোস্ট করেন। যেখানে তিনি বলেন, 'ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই খুব খারাপ লাগছে। সত্যি বলতে আমি কখনোই ভাবিনি আমার কারণে বাংলাদেশ দল জয়ের এত কাছে এসেও ম্যাচ থেকে এভাবে ছিটকে যাবে। সবার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন সবাই।'
এদিকে, আরো একটি স্বপ্ন ভঙ্গ হলো বাংলাদেশের। স্বপ্ন জয়ের খুব কাছে গিয়েও, ভাগ্যদেবী সহায় হলো না টাইগারদের। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নিদাহাস ট্রফির চ্যাম্পিয়ন ভারত। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৬ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে নাটকীয় ভাবে ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া।
এর চেয়ে হয়ত, বড় হারই ভাল ছিল। জয়ের জন্য ৬ বলে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। একেবারে শেষ বলে ম্যাচ জিতিয়ে নায়ক বনে গেছেন দিনেশ কার্তিক। আর ম্যাচটা হাত ছাড়া হয়ে গেছে বাংলাদেশের। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু টাইগারদের। লিটন দাসের ছক্কা বা তামিমদের বাউন্ডারি দুরু দুরু বুকে দেখেছে সমর্থনরা।  
কিন্তু ভারতীয় স্পিন কাটার মত বেঁধে। ব্যক্তিগত ১১ ও দলীয় ২৭ রানে পথ হারান লিটন। চাহালকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সার্দুল ঠাকুরের ক্যাচ হয়ে তামিম ফেরেন ১৫ রানে। সাব্বির-মাহমুদুল্লাহর জুটিতে আত্মবিশ্বাস। কিন্তু হায় আগের ম্যাচের মত ২১২ এর বেশি এগোতে দেননি সাব্বির। ৭ রান করে সাকিব আটকে যায় রান আউটের ধাঁধায়।
লম্বা একটি হতাশার গল্পে আলোর রেখা টেনে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ৫০ তুলে নেন সাব্বির। জবাব দিতে নেমে ভয়ংকর হতে থাকেন রোহিত-ধাওয়ানরা। তবে দায়িত্ব কাঁধে নেন সাকিব। ১০ রান করা ধাওয়ানকে ফেরান সাকিব। রুবেলে কাঁটা পরে খালি হাতে ফেরেন রায়নাও।
গলার কাঁটা হয়ে এগোন রোহিত ও রুকেশ। তবে রুমেলের বাউন্সারে ক্ষান্ত হয়ে ২৪ রানে আউট হন রুকেশ। বিষ ফোঁড়ার মত হয়ে থাকা রোহিত ৫৬ রান করে থামেন অপুর ছোবলে।
প্রাণপণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন মনিষ পান্ডে, সার্দুল ঠাকুররা। ম্যাচ পুরা জিতেই নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ ২ ওভারে একেবারেই বদলে যায় দৃশ্যপট। এমন হারের কোন ব্যাখ্যা থাকতে পারেনা।
কোন ক্রিকেটারের কাছে না, কোনো সমর্থকের কাছে না, কোন ক্রিকেট বিশ্লেষকের কাছেও না। হোক ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি, হোক এশিয়া কাপ কিংবা নিদাহাস ট্রফি। হোক মিরপুর বা হোক ব্যঙ্গালুরু। বাংলাদেশের জন্য যেন শেষের দুঃখ লেখা। আর সেই দুঃখের ডায়রিটা আরো ভারি হয়ে উঠল নিদাহাস ট্রফিতে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop