মহানগর সময়কেটে ফেলা হচ্ছে বড় গাছ-গাছালি, বজ্রপাতে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

রাশেদ বাপ্পী

fb tw
বছর বছর বেড়েই চলেছে বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা। বেসরকারি একটি সংস্থার গবেষণা থেকে জানা যায়, ২০১০ থেকে সাত বছরে বজ্রপাতে মারা গেছে প্রায় দুই হাজার মানুষ। প্রাকৃতিক সুরক্ষা বলয় ভেঙে অপরিকল্পিত বৃক্ষ নিধনকেই এ জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণার পর বজ্রপাত পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা উদ্যোগ নিলেও জনসচেতনতার বিকল্প নেই বলেই মনে করেন তারা।
নিরক্ষীয় রেখার ৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি আর ক্রান্তি অঞ্চলে ১৫ থেকে ৩৫ ডিগ্রি উত্তর দক্ষিণে বজ্রপাত একটি স্বাভাবিক ঘটনা। আর এ অঞ্চলে হওয়ায় ভৌগোলিক কারণেই বজ্রপাতের সঙ্গে পরিচিত বাংলাদেশের মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্ট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশে গড়ে ৮০ থেকে ১২০ দিন বজ্রপাত হয়। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৪০টি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস বলেন, 'এই এরিয়াতে বজ্রপাত একটু বেশি হয় কারণ, এই সময়টাতে তাপমাত্রা একটু বেড়ে যায়। হিটের সঙ্গে কিন্তু প্রেসারের সম্পর্ক থাকে। যদি লম্বা গাছ থাকে বা ওই এরিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় যে জিনিস সেটার ওপর সবচেয়ে বেশি এটা দেখা যায়।'
তবে ক্রমেই বাড়ছে বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা। ডিজাস্টার ফোরামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৭, এই সাত বছরে বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। আর ২০১৬ সালে মৃতের সংখ্যা ছিলো সর্বোচ্চ ৩৫০ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাকৃতিক পরিবর্তনেই ঘটছে এমনটা।
ফাউন্ডেশন ফর ডিজাস্টার ফরম-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব গহার নঈম ওয়ারা বলেন, 'প্রাকৃতিক যে প্রক্রিয়াগুলো ছিলো যা এটি প্রতিরোধ করতো যেমন, বড় বড় গাছ। সেগুলো এখন আর নেই। ত্রিশূলের মাধ্যমে বা চাঁদ-তারার মাধ্যমে একটা আর্থিন ছিলো এটাও এখন শেষ হয়ে গেছে। আমদের যে ব্যবস্থাপনাগুলো ছিলো সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এই কারণেই এখন মানুষ মারা যাচ্ছে।'
বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করায় এরই মধ্যে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. মাহবুবা নাসরিন বলেন, 'ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এবং স্থানীয় সরকারকেও কিন্তু বলা হয়েছে যে, তোমরা বর্ষাকালের আগে মাইকিং করবে যাতে অন্যান্য দুর্যোগের মতো বজ্রপাতের বিষয়েও মানুষ সচেতন হতে পারে।'
চলতি মৌসুমের শুরুতেই বজ্রপাতে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop