পশ্চিমবঙ্গরামনবমীর শোভা যাত্রায় বিজেপি-তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন

সুব্রত আচার্য

fb tw
somoy
ভোট ব্যাঙ্ক কার ? তৃণমূল কংগ্রেসের নাকি বিজেপির হাতে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের সেটা চেখে দেখার সুযোগ পেয়ে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই সর্বশক্তি দিয়ে দেখানো চেষ্টা করল রবিবার।
একটি ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে মূলত দুটি দলই তাদের রাজনৈতিক শক্তি দেখাতে চাইলো দিনভর। আর সে কারণেই ভারতের অন্য রাজ্য গুলোর চেয়ে রাম নবমী মিছিল ঘিরে দেশ জুড়ে আলোচনায় এখন কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি নজরুল ইসলামের "পশ্চিমবঙ্গ"।
রাজ্যটির শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা বিরোধী বিজেপি রামের জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মীয় এই উৎসবকে ঘিরে দিনভর নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যটিতে।
কলকাতা থেকে ক্যানিং- কিংবা শিলিগুড়ি থেকে মেদিনীপুর; সবত্রই প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের আয়োজনে চলছে রাম নবমীর শোভাযাত্রা, কোথাও অস্ত্র মিছিল।   
বিজেপি তাদের ঘোষণা অনুযায়ী রামনবমীর শোভাযাত্রায় বেশ কিছু জেলায় অস্ত্র নিয়ে মিছিল করছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অস্ত্র মিছিলে বাধাও দেওয়া হচ্ছে অনেক জায়গাতে। আর সেকারণে বহু জায়গায় থেকেই পুলিশ ও শোভাযাত্রাকারী বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তির খবর মিলছে। তবে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত তেমন বড়  কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিন ২৫ মার্চ রবিবার সকালে খড়গপুরের হনুমান মন্দিরে পূজা শেষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, "অস্ত্র নিয়ে মিছিল করাটাই পরম্পরা। বিজেপি রাজ্য জুড়ে অস্ত্র নিয়ে এদিন মিছিল করবে"।
যদিও অস্ত্র নিয়ে মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই দিনভর পুলিশ ও প্রশাসন বিজেপির আয়োজনে রাম নবমীর মিছিল নিয়ে কড়া সর্তক ছিল।
অস্ত্র নিয়ে মিছিলে দিনভরই কলকাতার সংবাদ মাধ্যমে জায়গা পেয়েছে বীরভূম ও পুরুলিয়া জেলা। এই দুই জেলাতেই বিজেপি অস্ত্র মিছিল করে। বীরভূমেও বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসও রামনবমীর মিছিল করে। তবে তৃণমূলের মিছিলে দলীয় পতাকা ছাড়া তেমন কিছু দেখা যায়নি।
কলকাতায় বিজেপির শীর্ষ নেতা মুকুল রায়ের নেতৃত্বে রাম নবমীর মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও শেষ পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় মিছিল শেষ হয়। মিছিল শেষে মুকুল রায় বলেন, “যুগ যুগ ধরে রামের পুজো চলে আসছে। ভারতীয় জনতা পার্টি এটাকে একটা মাত্রা দিয়েছে। ভারতের যে সংস্কৃতি সেটাকে আবার বাংলায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবার সেটা তৃণমূল কংগ্রেসও করছে। তারা যদি এটাকে মেনে নিয়ে করে তাহলে আপত্তির কোনও কারণ নেই। মুকুল রায় প্রশ্ন তুলে বলেন, রাম মন্দির নিয়ে মমতা ব্যানার্জি তার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুক।
তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রামকে নিয়ে এই রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম নিরপেক্ষ মানুষ মেনে নেবে না।  
#কলকাতা অফিস
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop