প্রবাসে সময়‘ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী জিন্দাবাদ’

রাশেদ বাপ্পী

fb tw
somoy
বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারত সফররত বাংলাদেশের ১০০ তরুণ-তরুণী। সোমবার সন্ধ্যায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
 
বাংলাদেশের ৪৭ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সবসময়ই বন্ধুত্বপূর্ণ। জিটুজি পর্যায়ের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পৃক্ততা জোরদার হচ্ছে।’
দু'দেশের  সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র ২০১৭ সালেই বাংলাদেশের নাগরিকরা ১৪ লাখ ভারতীয় ভিসা পেয়েছেন।’
আইসিসিআর ভারতের একটি আকর্ষণীয় শিক্ষা প্রোগ্রাম। বিশ্বের ৭০ দেশের নাগরিকরা ভারতের এই শিক্ষা বৃত্তি পেয়ে থাকে। সেই প্রোগ্রামে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত যে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মেধার মাধ্যমে আইসিসিআর প্রোগ্রামে জায়গা করে নিচ্ছে।’
জাতিসংঘ কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের ঘোষণার বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশের প্রতি ভারতের বিশেষ সুনজর রয়েছে। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।'
২০১২ সাল থেকে প্রতিবছর ভারতের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের ১০০ তরুণ-তরুণী দেশটিতে সফর করছেন। এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলেও মনে করেন সুষমা স্বরাজ।
ভারতের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে দুবে বলেন, 'গণতান্ত্রিক দুই দেশে তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার হলে আমরা নিজেদের সমস্যাগুলো যেমন সমাধান করতে পারব। তেমনি সুবিধাগুলোর মধ্য দিয়েও অর্থনীতিও জোরদার হবে।'
১০০ তরুণের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের উদ্যোগ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শিবলী ইসলাম। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসের প্রথম রাজনৈতিক সচিব রাজেশ উইকে। স্বাগত বক্তব্যের পর আগত ১০০ তরুণের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন সুষমা স্বরাজ।
পরে ভারতের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে নৈশভোজে যোগ দেয় বাংলাদেশি তরুণ দল। নৈশ ভোজের আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশের তরুণরাও অংশগ্রহণ করেন। মনিরা পারভীনের কথক নৃত্য উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া শাচীন ও অর্থী নৃত্য পরিবেশন করেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশি তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop