পশ্চিমবঙ্গকলকাতায় তারানা হালিম বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদের ঐতিহ্য তৈরি করেছিল

সুব্রত আচার্য

fb tw
বিএনপি-জামায়াত সরকার বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মদতের ঐতিহ্য তৈরি করেছিল। সেখানে থেকে আমাদের উদ্ধার করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় 'সম্প্রীতির বাংলাদেশ' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির ভাষণে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, বিএনপি জামাত জোট সরকারের সময় আমরা দেখেছি, রাষ্ট্রীয় মদতে সন্ত্রাসবাদ। এর মধ্যদিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথও রুদ্ধ করা হয়েছিল। যুদ্ধাপরাধীদের সংসদ সদস্য করা হয়েছে।
সাবেক বিএনপি-জামায়াত সরকারের সঙ্গে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে  তারানা হালিম আরও বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে আনসারুল বাংলা টিম হিজবুতল্লাহ মুজাহিদ, হিজবুত তাহরির এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরের উত্থান ঘটেছিলো এবং সেই সময় বিএনপি-জামায়াতের আনহুনি অ্যালায়েন্সে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হয়ে পড়েছিল ভীত সন্তস্ত্র। কিন্তু এরপর যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়  এলো, তখন আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথ ধরেই পথ চলতে চলেছি।
হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিষয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে মোট জনগোষ্ঠীর ১০.৭০ শতাংশ হিন্দু এবং বাকি অন্য ধর্মের মানুষ ছিলেন। ২০১৭ সালে সেই সংখ্যাটা বেড়ে ১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
এদিন  কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের উদ্যোগে কলকাতার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন বা আইসিসিআরের সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে দুই পর্বের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বক্তা হিসাবে  তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন এবং তিনিও বক্তব্য রাখেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সম্প্রীতির বাংলাদেশ নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, আমরা কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়ে হিন্দুর রক্ত কিংবা মুসলিমের রক্ত চাই না। আমরা চাই রক্ত। সেটাই সম্প্রীতি।
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির নানা তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এর আগে অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে উপ-হাইকমিশনার প্রথম সচিব মোফাকখারুল ইকবাল বলেন, জাতির জনক স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন তখন কলকাতার ১৬ টি দৈনিক প্রতিক্রিয়া একই যোগে সেই খবর প্রকাশ করেছিল।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনায় অংশ নেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সবুজকলি সেন, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ও শিক্ষাবিদ ড. পবিত্র সরকার, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়। ড. পবিত্র সরকার বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। সেখানে সব ধর্মের এই মিলন দেখে মুগ্ধ হতে হয়।
সুভাষ সিংহ রায় বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তৈরির রূপরেখা ও দলিল। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই আজ বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। সব মানুষের দেশ, সব ধর্মের দেশ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সামনে একটি রোল মডেলও।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop