পশ্চিমবঙ্গমমতার সমালোচনায় পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীরাই

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
somoy
এক সময় বামফ্রন্ট সরকারের বদল চেয়ে তৃণমূলের পক্ষে পবির্তনের দাবিতে কলকাতার রাজপথে হেঁটেছিলেন একদল বুদ্ধিজীবী। বাম শাসনের দৃঢ় সৌধ ভেঙে দিতে কলকাতার ওই বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা কম ছিল না। রাজ্যের এক শ্রেণির শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করেছিল বুদ্ধিজীবীদের সমর্থন।
আজ চলমান পরিস্থিতি সেই বুদ্ধিজীবীদেরই একাংশ পঞ্চায়েত ভোট প্রক্রিয়ায় অশান্তিতে  বর্তমান মমতা ব্যানার্জির সরকারেই সমালোচনায় সরব হচ্ছেন।  
বুধবার যারা এই সমালোচনায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্য অন্যতম নাট্য-ব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী, রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমল চক্রবর্তী, সমাজকর্মী মীরাতুন নাহার, মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র, সঙ্গীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় এবং পল্লব কীর্তনিয়ার মতো মমতা-পন্থীরা।  
বলা হয়, এদের মধ্যে কেউ কেউ এককালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আনুকূল্যে তৈরি বিভিন্ন সরকারি কমিটিতেও ছিলেন, পেতেন বেতন ও সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাও।
প্রসঙ্গত, কদিন আগেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দাবিতে কলকাতায় পথে নেমে মিছিল করেছিলেন আরেক অংশের বুদ্ধীজীবীরা। এর আগে প্রেস ক্লাবে তারা একত্রিতও হয়েছিলেন কলকাতা প্রেসক্লাবের আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে।
পথে নেমে বিক্ষোভে সামিল হতে দেখা গিয়েছিল, কবি শঙ্খ ঘোষ, তরুণ মজুমদারের মতো অরাজনৈতিক ভাবাপন্ন বুদ্ধিজীবীদের। বুধবার কলকাতা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় এক সময়ের পরিবর্তনের পক্ষের এই বুদ্ধিজীবীরা সবাই ভোট-কেন্দ্রিক হিংসা বন্ধ করে শান্তি বজায় রাখার আহ্বানও করেন মমতা ব্যানার্জির সরকারের কাছে।
এদিন নাট্যব্যাক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী বলেন, রাজনৈতিক হানাহানি বন্ধ হোক। তার প্রশ্ন, পঞ্চায়েত মনোনয়নে এত হিংসা হলে ভোটে কী হবে? তার মতে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও নির্বাচনই শান্তিপূর্ণ হয়নি। কিন্তু মনোনয়নেই এত অশান্তি হচ্ছে।
শাসক দল তৃণমূলকে টার্গেট করে বুদ্ধিজীবীদের আরও অভিযোগ, মনোনয়ন পেশে বিরোধীরা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। তারা বলেন, বিরোধী দলকে মনোনয়ন পেশে বাধা দিচ্ছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিযোগিতা-বিহীন হিসেবে জয় সঠিক জয় নয়।
প্রাক্তন এজি বিমল চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায়, নির্বাচন অবাধ হওয়া উচিত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতবর্ষেও হচ্ছে না। তার আশঙ্কা, এমন হলে গণতন্ত্র বিকলাঙ্গ হয়ে যায়। বর্তমান শাসক দল এই অবস্থা তৈরি করছে।
গায়ক প্রতুল মুখোপাধ্যায় বলেন, আধিপত্য থেকে বড় বিপজ্জনক আর কিছু হয় না। আধিপত্য-বাদ কায়েম করে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা যায় না।
শিক্ষাবিদ মীরাতুন নাহার বলেন, ভোটে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। কমিশনকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখা হয়েছে। বিরোধীদের মনোনয়ন জমার গণতান্ত্রিক অধিকারও নেই।
সমাজে সেবী সুজাত ভদ্র বলেন, মনোনয়ন যেখানে হবে তার পাশেই পিকনিক। মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।
#কলকাতা অফিস
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop