ksrm

পশ্চিমবঙ্গ ’বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করতে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ভিডিও)

কলকাতা অফিস

fb tw
আগামী মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গড়া শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবন-এর দ্বার-উন্মোচন করতে সংক্ষিপ্ত সফরের সম্মতি দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। দায়িত্বশীল একটি সূত্র সময়নিউজ.টিভিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন।
সূত্র বলছে, ওই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যৌথভাবে দুই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ভবন-এর দ্বার উন্মোচন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর শান্তিনিকেতন সফরের আগে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক-মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ’বাংলাদেশ ভবন’ এর নির্মাণ কাজের চূড়ান্ত পর্ব সরেজমিনে ঘুরে দেখলেন ১৭ এপ্রিল মঙ্গলবার। পরদিন (১৮ এপ্রিল) বুধবার পাশাপাশি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য সবুজ কলি সেনের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। ওই বৈঠকেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তিনিকেতন সফর সম্পর্কে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে অবগত করা হয়।

এদিনের বৈঠকে মন্ত্রী ছাড়াও কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান, কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মিয়া মহম্মদ মাইনুল কবির ও শেখ সফিউল ইমাম প্রমুখ।

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকশিনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে শান্তিনিকেতন সফরের বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়। তবে এখনোও সফর সূচি ঠিক করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য শান্তিনিকেতন সফর ঘিরে উপ-দূতাবাস ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক-মন্ত্রী শান্তিনিকেতন থেকে ঢাকায় ফেরার পর আরও দুটি প্রতিনিধি দল শান্তিনিকেতন সফর করবেন বলেও ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।

এই বিষয়ে শান্তিনিকেতনের সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বাংলাদেশ ভবন হস্তান্তর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকায় ফিরে গিয়ে বিষয়টি চূড়ান্ত করার কথাও শান্তি-নিকতেনের স্থানীয় সাংবাদিকদের বলে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

আড়াই বিঘা জাগয়ার ওপর প্রায় সাড়ে এগারো হাজার বর্গ ফুটের দ্বিতল বাংলাদেশ ভবনের পুরো ব্যয়ভার বহন করছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৬ সালে থেকে এই ভবনের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি মাত্র দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার পথে। বাংলাদেশ সরকার ২৫ কোটি রুপি এই ভবনের জন্য বরাদ্দ করে। ভবনের একটি আন্তর্জাতিক মানের অডিটোরিয়াম তৈরি করা হয়েছে। সুবিশাল মিউজিয়াম ছাড়াও লাইব্রেরি সেন্টার রয়েছে সেখানে। রয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্যাফেটেরিয়াও।

তবে ভবনের কিছু পরিবর্তনের জন্য বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। ভবনের সামনের লিফটটা সরিয়ে পেছনের দিকে নেওয়া ছাড়াও বাংলাদেশ ভবনের অভ্যন্তরে ঢাকার শহীদ মিনারের আদলে সেখানে শহীদ মিনার তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

তবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বিশ্বভারতী প্রাঙ্গণে কোনও মিনার তৈরির অনুমোদন দেয়নি অতিতে। এমন কি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনও মূর্তি প্রতিষ্ঠা নেই সেখানে। বাংলাদেশ ভবনের প্রবেশ দ্বারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দু’টি আবক্ষ-মূর্তি স্থাপনের জন্য বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু সেটা মানেনি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
তবে বিশ্বভারতী তাদের বলেছে, মূর্তি না গড়ে বরং দেওয়ালে মোড়াল তৈরি করা যেতে পারে। বাংলাদেশ অবশ্য সেই প্রস্তাবেই রাজি হয়ে এখন দেওয়ালে মোড়াল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। সেখানেই বরীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মোড়াল থাকবে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop