ksrm

পশ্চিমবঙ্গ মমতার সরকারের নির্দেশনা মেনে এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে

কলকাতা অফিস

fb tw
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের নির্দেশনা মেনে শেষ পর্যন্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করল। নির্বাচন কমিশন দুই দফায় সর্বদলীয় বৈঠকের পরও ভোটের তারিখ ঘোষণা করতে দেরি করছিল।
ওদিকে রোজার আগেই এক দফার ভোটে মরিয়া ছিল মমতার সরকার। শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারের অনমনীয় অবস্থানের কাছে কার্যত নতি শিকার করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৪ মে গোটা এক দফার ভোট হচ্ছে গোটা রাজ্যে। ভোটের গণনা হবে ১৭ মে। পুন ভোট গ্রহণ ১৬ মে। 
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এদিন রাত আটটা পর্যন্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশন সাংবাদিকদের কাছে এবিষয়ে কিছু জানায়নি। তবে সন্ধ্যায় রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্ন ছেড়ে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ নিয়ে বলেছেন, আজ পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আমরা খুব খুশি। গণতন্ত্রে নির্বাচন হোক, মানুষ সেটাই চান। বাংলার পঞ্চায়েত দেশের মধ্যে গর্বের। তারা ভাল কাজ করেছে। আমরা চাই শান্তিপূর্ণভাবে, সুন্দরভার ভোটের কাজ সম্পন্ন হোক। তিনি এই সময় বলেন, আমি সব রাজনৈতিক দলের কাছে বলবো। কোনও অশান্তি না করে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতে সহায়তা করুন।

মমতা এসবয় বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষের ছবি প্রকাশ করার নিন্দা জানান। বলেন, এই ধরণের ভুয়া ছবি ব্যবহার করে রাজ্যে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করবেন না।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এবার এক দফায় ভোট হবে ১৪ মে। কোথাও পুন নির্বাচনের প্রয়োজন হলে সেটা হবে ১৬ মে এবং গণনা হবে ১৭ মে। রমজান মাস শুরু হওয়ার কারণে তিন দফার পরিবর্তনে মাত্র এক দফায় ভোট করা হচ্ছে।

এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ত্রিস্বরবিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচন ১, ৩ ও ৫ মে নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছিল। সেই হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় ২ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ৯ এপ্রিল। তবে মনোনয়নপত্র জমার দিন থেকেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল  তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে। এমন কি সন্ত্রাস সৃষ্টি করারও অভিযোগে সরব হন বিরোধীর।
ফলে বিষয়টি গড়ায় আদালতে। আদালত নির্বাচন প্রক্রিয়া কিছুদিন স্থগিত রাখার নতুন করে এক দিনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন ধার্য করেছিল ২৩ এপ্রিল। তবে নির্বাচনের তারিখ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর নেওয়ার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। যদিও গত চার দিনেও কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই বৈঠক করতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
ওদিকে রাজ্য সরকার বরাবর দাবি করে আসছে, পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই ভোট প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এবং এর জন্য নির্বাচন করতে হবে এক দফায়। নির্বাচন কমিশন অবশ্য তিন দফায় নির্বাচনের থেকে সরে আসার যুক্তি হিসাবে আদালতের দেওয়া ভোটের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দেয়। তারা বলে, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে এক দফাতেই ভোট করা যেতে পারে।
যদিও তারা কোনও চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। আর এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ফ্যাক্স বার্তায় নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেয়, নির্বাচন এক দফায় করতে চায় রাজ্য সরকার। এবং সেটা অবশ্যই ১৪ মে। পুন নির্বাচন ১৬ এবং ভোট গণনা হবে ১৭ মে। নির্বাচন কমিশন মমতার সরকারের সেই নির্দেশনা মেনেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে।

৪৮ হাজার ৬৫০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন, পঞ্চায়েত সমিতির আসন ৯ হাজার ২১৭টি এবং জেলা পরিষদের ৮২৫টি আসনে নির্বাচন হবে। ৫৮ হাজার বুথে ভোট নেওয়া হবে।
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop