ksrm

পশ্চিমবঙ্গভোটের আগে ফল তৃণমূলের ঘরে, বিনা লড়াইয়ে ২৭ শতাংশ আসনেই জয়!

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
ভোটের বাকি এখনও প্রায় দুই সপ্তাহ। কিন্তু এর আগেই পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের প্রায় ২৭ শতাংশ আসনে জয় পেয়ে গেল। ২৮ এপ্রিল রাজ্য জুড়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য ছিল। আর সে দিনই বিভিন্ন জেলায় বিরোধী বিজেপি-কংগ্রেস এবং বামফ্রন্টের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়ে কার্যত ভোটের আগেই ফল তৃণমূলের ঘরে তুলে দিল।
যদিও নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী শিবির বিজেপি, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং অনেক জায়গায় নির্দল-প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। মনোনয়নপত্র পত্র জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বিরোধী প্রার্থীরা, এমন কি প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। আর এরই ফলাফল; রাজ্য সরকারের স্থানীয় সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরের জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ২৭ শতাংশ আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস জয় নিশ্চিত করেছে।
তবে এমন বিতর্কিত জয়ে রাজ্যের সবচেয়ে নজরকাড়া জেলা হচ্ছে লালমাটির বিধৌত বীরভূম জেলা। লালমাটি থাকলেও ওই জেলায় রাজনৈতিক লাল রং-অর্থ্যৎ বামদের কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। একই রকমভাবে অস্তিত্ব নেই কংগ্রেসেরও। তবে বিজেপি সেখানে বরাবর সক্রিয় ছিল। এবার অবশ্যই সেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিলেন ওই জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বছর জুড়ে নানা বেফাঁস মন্তব্য, বিরোধীদের ওপর হামলা-জুলুমের জন্য আলোচিত অনুব্রত মণ্ডল যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির স্নেহের পাত্র বলে পরিচিত।
আর সেই মমতার সৈনিকের সামনে দাঁড়াতে পারেনি ভরতের কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। মনোনয়ন জমা নিয়ে ওই জেলায় সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও খুনের ঘটনাও ঘটেছে। আর সে কারণে ওই জেলায় সবচেয়ে বেশি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস বিনা লড়াইয়ে জয়ও নিশ্চিত করেছে।
দেখা যাচ্ছে, জেলা পরিষদের ৪২ আসনের মধ্যে ৪২ আসনেই বিনা লড়াইয়ে তৃণমূলের ঘাস ফুলের জয় পেয়েছে। অর্থাৎ এই আসন গুলোতে আর কোনও নির্বাচনই হচ্ছে না।
মুর্শিদাবাদে জেলা পরিষদের ৭০ আসনের মধ্যে ৪৮ আসনেও একইভাবে লড়াই হীন জয় পেয়েছে তৃণমূল। এই জেলাতেও বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামফ্রন্টের প্রার্থীদের ওপর হামলা, মামলা ও সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
একই দৃশ্য বাঁকুড়া জেলার ক্ষেত্রেও। সেখানে ৪৬ জেলা পরিষদের আসনের মধ্যে ৩১ আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মমতার দলের জয় পেল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্র স্ক্রুটি নির পর জেলা পরিষদের ৮২৫ টি আসনে বিজেপি ৭৮২ প্রার্থী দেয়। ওই আসনের বিপরীতে ১ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে শাসক দল তৃণমূলের।
স্থানীয় সরকারের দ্বিতীয় পঞ্চায়েত সমিতির ৯ হাজার ২১৭ আসনের বিপরীতে বিজেপি ৬ হাজার ১৪৯ জন, সিপিএম ৪ হাজার ৪০০, কংগ্রেস ১ হাজার ৭৪ এবং তৃণমূল সব আসনের প্রার্থী দিয়েছে।
আর তিন স্তরের সব শেষ স্তর ’গ্রাম পঞ্চায়েত’-এ ৪৮ হাজার ৬৫০ আসনের মধ্যে তৃণমূল সব আসনে প্রার্থী দিলেও বিজেপি দিয়েছে ২৭ হাজার ৯৩৫, বামফ্রন্ট দিয়েছে ২০ হাজার ৩১৯ এবং কংগ্রেসের ৭ হাজার ৩১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করছেন।
শাসক দলের বিপরীতে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রের হিসাব কষলেই দেখা যাচ্ছে ভোটের আগেই ২৭ শতাংশ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হীন জয় নিশ্চিত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্ট বলছে, আগামী ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় সরকার অর্থাৎ পঞ্চায়েত ভোট গ্রহণ করা হবে। এর একদিন পর পুর্নভোট এবং ১৭ মে ভোটের ফলাফল প্রকাশ।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop