ksrm

পশ্চিমবঙ্গশান্তিনিকেতনে ’বাংলাদেশ ভবন’ নির্মিত হয়েছে বিশ্বমানের

সুব্রত আচার্য

fb tw
কি থাকবে বহুল আলোচিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ভবনে ? এমন প্রশ্ন আসতেই পারে মনে। ২৫ মে ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরা যখন বাংলাদেশ ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন- তখনই সবার সামনে আসবে ঐতিহাসিক এই ভবন নিয়ে নানা তথ্য। কিন্তু  এর আগেই অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে প্রকাশ করছে সময়নিউজ.টিভি।
গত ৯ মে (বুধবার) বাংলাদেশ ভবর ঘুরে দেখে জানা গেল, আড়াই বিঘার জমির উপর নির্মিত এই মূল ভবনের আয়তন ৪ হাজার একশ বর্গ মিটার। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ’বাজিপুড়ানোর মাঠ’ নামে পরিচিত পরিত্যক্ত জায়গাটি ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করেছিল ২০১৪ সালে।
বাংলাদেশ ভবনের সবুজে ঘেরা ভবনের প্রবেশদ্বার। আর মূল ভবনের প্রবেশদ্বারে দুই প্রান্তের বা দিকে তৈরি করা হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের মুরাল এবং ডান দিকে থাকবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুরাল।
স্বচ্ছ কাঁচের প্রধান ফাটক পেরিয়ে বর্তমানে যে লিফট-টি রয়েছে; সেই লিফট আগামীতে থাকবে-কি থাকবে না, সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কারণ লিফট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। লিফট-এর দুই প্রান্তে ভেতরে প্রবেশ করার পথ রয়েছে।
ডান দিক ও বা দিকের পথে দুই পাশের ২৬৪ বর্গ মিটার জায়গায় দুটি আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার হল তৈরি করা হয়েছে। এর ওপরের ডান দিকে রয়েছে ১১৫ বর্গ মিটারের লাইব্রেরি। বাঁ দিকে রয়েছে ২৬৪ বর্গ মিটারের জাদুঘর। রয়েছে দুটি ছোট পরিসরের স্টাডি সেন্টারও।
ভবনের নিচতলার পেছনের দিক বা শেষ দিকে তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন অডিটোরিয়াম। পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, শব্দ নিরোধক এবং অত্যাধুনিক আলোক ব্যবস্থা সম্পন্ন অডিটোরিয়ামে একসঙ্গে ৪৫৩ জন বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে বসানো হয়েছে ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেমও।
২০১১ সালরে সেপ্টেম্বর মাসে ভারতরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশে সফরকালে বাংলাদেশেরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর এই ভবন নির্মাণের প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপরই বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের জন্য বিশ্বভারতী অাড়াই বিঘা জমি দান কর। বাংলাদেশ সরকার ভবন নির্মাণের জন্য দেয় ত্রিশ কোটি টাকা। তবে নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৫ সালের শেষ দিকে।
ভবনটি নির্মাণ করেছে ভারত সরকারের ন্যাশনাল বিল্ডিং কর্পোরেশন লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান। ১৮ মাস সময়ের মধ্যে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করে সংস্থাটি। প্রতিদিন গড়ে ১৮০ জন শ্রমিক এই নির্মাণ কাজে অংশ নিয়েছিলেন। এই মুহূর্তে ভবনের ধোয়ামোছার কাজ চলছে। আলোকসজ্জা এবং সবুজায়নের কাজও জোরকদমে এগিয়ে যাচ্ছে।
এখনো পর্যন্ত জায়গা নির্ধারণ না হলেও মূল ভবনের ডান দিকেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে তৈরি করা হবে সেখানে শহীদ মিনার।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজ কলি সেন সময়নিউজ.টিভির কাছে জানিয়েছেন, বিশ্বভারতীর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটা স্থায়ী শহীদ মিনারের। এই দাবি এবার পূরণ হচ্ছে তাদের।
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop