ksrm

পশ্চিমবঙ্গহাসিনা-মোদীকে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনাবেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

কলকাতা অফিস

fb tw
আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে শাশ্বত এই রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনবেন বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বভারতীর সঙ্গীত ভবনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের এই সঙ্গীত পরিবেশন করে শোনাবেন। শুধু রবীন্দ্র সঙ্গীতই নয়, একটি বেদ মন্ত্র, শান্তিনিকেতন সঙ্গীত ছাড়াও দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতও পরিবেশন করবেন বাংলাদেশি পড়ুয়ারা।
২৫ মে সকালে শান্তিনিকেতনের বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও থাকবে। সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গীতের মহড়া চলছে এখন বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গীত ভবনে।
এদিকে শান্তিনিকেতনে ’বাংলাদেশ ভবন’-এ বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের প্রবেশাধিকার নিয়ে জটিলতারও অবসান হয়েছে। ৪৫৩ আসনের বাংলাদেশ ভবনের অডিটোরিয়ামে ৬০ জন বাংলাদেশি পড়ুয়া উপস্থিত থাকবেন।
শান্তিনিকেতনের (বিশ্ববিভারতী) ৭০ জন শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৬০ জনের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথি, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি, সাংবাদিক মিলিয়ে অতিথির সংখ্যা প্রায় চারশো ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর অডিটোরিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ৪৫৩ জনের। সে কারণেই অতিথির তালিকা কাটছাঁট করে সবার আসন নিশ্চিত করতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে উপ-দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।  
জানা গেছে, সঙ্গীত বিভাগের অধ্যাপিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দুই ”আনন্দ লোকে, মঙ্গলা লোকে”- এই রবীন্দ্র সঙ্গীত, উপনিষদের বেদ মন্ত্র এবং ’আমাদের শান্তি নিকেতন’ আশ্রম সঙ্গীত। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতও পরিবেশন করবেন ওই শিক্ষার্থীরা।
সঙ্গীত বিভাগের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহুয়া মঞ্জরী, আফতাব উদ্দিন, মৌমিতা আক্তার কলি, প্রিয়াঙ্কা সরকার টুম্পা, অমিত দেবনাথ, ইন্দ্রাণী মদক ছাড়াও ভারতীয় শিক্ষার্থী কৌস্তব বরাত, সব্যসাচী, কৌশিক প্রমুখ অংশ গ্রহণে সংক্ষিপ্ত ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গেছে।
সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন এই বিষয়ে সময়-নিউজ.টিভিকে জানান, ”প্রায় চার দিন ধরে প্রতিদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানের মহড়া চলছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সামনে সঙ্গীত পরিবেশন করার সুযোগ পেয়ে খুব আনন্দ লাগছে”।
কলকাতা থেকে টেলিফোনে কথা হয় শান্তিনিকেতনে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা সরকার টুম্পার সঙ্গে। তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সুযোগ তার জীবনে অন্যতম বড় ঘটনা হয়ে থাকবে।
এদিকে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশ ভবনের অডিটোরিয়ামের মুল অনুষ্ঠানে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন বলে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের হেড অফ চ্যান্সারি বিএম জামাল হোসেন।
বিশ্বভারতীর সমাজকর্ম বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র অর্ণব সান্যাল, অর্থনীতি বিভাগের রাতুল রহমান, বোটানি বিভাগের এমএ-এর শেষ বর্ষের ছাত্রী ময়ূরাক্ষী সান্যাল, ইংরেজি বিভাগের ছাত্র অনিক কর্মকারও খুশি এই অনুষ্ঠানে প্রবেশাধিকার পেয়ে। টেলিফোনে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের প্রায় সবারই দাবি, অন্তত পাঁচ-মিনিটের জন্যও হলেও যেন তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop