তথ্য প্রযুক্তির সময়‘বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী প্রযুক্তিখাতে উন্নয়ন হয়নি’

ইমতিয়াজ আহমেদ

fb tw
গেল কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিকভাবে বাজেটে বেড়েছে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ। দেয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যে কর ও শুল্ক ছাড়। তবে সেই অনুপাতে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতে উন্নয়ন হয়নি বলে মনে করেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তাই আগামী বাজেটে বরাদ্দকৃত টাকার সুষম ব্যবহারের পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর থাকা ১৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফের দাবি প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের।
 
ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা বর্তমান সরকার তথ্য প্রযুক্তি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে সরকার গঠনের পর থেকেই। যার ধারাবাহিকতায় আইটি অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়টি সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেয়া হয় প্রতিবছরের বাজেটে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গেল ৯ বছরে বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ বেড়েছে পাঁচ গুনেরও বেশি।
২০০৯-১০ অর্থবছরে এই খাতে সার্বিক বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা
২০১৬-১৭ সালে ছিল ৮ হাজার ৩০৬
২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা গিয়ে দড়ায় ১১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকায়।
বরাদ্দের দিক থেকে প্রতি অর্থবছরেই তথ্য প্রযুক্তিখাতে টাকার অংক বাড়লেও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তার অর্জন কতটুকো।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, এই বাজেটটা যেখানে প্রয়োগ হওয়ার কথা সেইভাবে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত অনেক প্রোডাক্ট আছে, সেইগুলোকে এনবিআর কম্পিউটারের প্রোডাক্ট মনে করে না।  এইটার জন্য প্রায়ই আমাদের কাস্টমে নাজেহাল হতে হয়। এছাড়াও ছোট ইন্ড্রাস্টিস করার জন্য এখানে প্রণোদন দিতে হবে।
দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের উল্লেখযোগ্য অংশ সফটওয়্যার খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে ইন্টারনেটের উপর থেকে সব ধরনের ভ্যাট মওকুফের দাবি এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের।
বেসিসের সভাপতি ইন্টারনেটের ওপর যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এটা প্রত্যাহার করতে হবে। ইন্টারনেট একটি বড় ব্যাপার, যেটা এবারে বাজেটে তার প্রতিফলন দেখতে চাই। এছাড়াও অবকাঠামো তৈরি করার জন্য যে উপকরণগুলো দরকার, সেইগুলো দাম গত দুই বছরে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রির জন্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত আমরা ট্যাক্স হলিডে এনজয় করছি। কিন্তু নীতিমালার অস্পষ্টতার কারণে আমরা অনেকে এই সুবিধাটা পাচ্ছি না।
কম্পিউটার,ল্যাপটপ, ট্যাব ও সেলফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের উপর থেকে কর ও শুল্ক ছাড় দেয়া হয় চলতি বাজেটে। এছাড়া এসব পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও সংযোজনে উৎসাহিত করতে দেয়া হয় বিশেষ সুবিধা যা আসছে বাজেটেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন দেশের প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop