পশ্চিমবঙ্গভারতে পৈতৃক সম্পত্তি দান করলেন এরশাদ

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার দিনাহাটার পৈতৃক সম্পত্তির অংশ দিনহাটার মানুষের কল্যাণে দান করেছেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
৩০ মে বুধবার ওই দানপত্রটি দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় বিধায়ক উদয়ন গুহ নিজের হাতে পান। এই চিঠি ফেসবুকে পোস্ট করে এরশাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ওই জনপ্রতিনিধি।  
জানা গেছে, দানপত্রে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। তাতে বলা হয়, এই দানপত্র শুধুমাত্র তখন বৈধ বলে বিবেচিত হবে, যখন তার দেওয়া এই জমির ওপর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামের স্কুল-কলেজ কিংবা জনহিতকর কোনো স্থাপনা তৈরি করা হবে।
এরশাদের দেওয়া সেই শর্ত মেনে নিয়েই সেখানে স্থাপনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন পৌর প্রধান উদয়ন গুহ। বলেছেন, কাকু যেভাবেই চাইছেন ঠিক সেইভাবেই আমরা কাজ করবো।
উদয়ন গুহের বাবা প্রয়াত কমল গুহ ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাল্যবন্ধু। সে কারণে উদয়ন গুহের সঙ্গে এরশাদেরও পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। দিনহাটায় পৈতৃক ভিটায় বেড়াতে গিয়ে প্রায় গুহ বাড়ির আতিথেয়তা নেন জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।
এমন কি টেলিফোনেও প্রায় খোঁজ খবর রাখেন ওই পরিবারের সদস্যদের। সেই সম্পর্কের ভিত্তিতেই গত বছর শেষ দিকে এরশাদের কাছে পৌরসভার পক্ষ থেকে ওই জমি চেয়ে আবেদন করেছিলেন পৌরসভার চেয়ারম্যান উদয়ন গুহ। সেই আবেদনের সাড়া দিয়ে গত বুধবার ব্যক্তিগত দূতের মাধ্যমে দানপত্র পৌঁছে দেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।  
১৯৪৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে তৎকালীনপূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশে পাড়ি জমান। এরশাদ চলে গেলেও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা থেকে যান কোচবিহারের দিনহাটা শহরেই। সেখানে তার স্বজন-পরিজনরা এখনও রয়েছেন।
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের ভাইয়ের ছেলে দিনহাটা মহকুমার একজন আইনজীবী আহসান হাবিব। শুক্রবার (১ জুন) সকালে তার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও দানপত্র দেওয়ার ঘটনার স্বীকার করেন।
টেলিফোনে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘এরশাদ জেঠুর কাছে গত বছর (২০১৭ সালে ২৬ ডিসেম্বর ) ওই জমি চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল হিনহাটা পৌরসভা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই জেঠু ওই জমি দান করেছেন।’
দিনহাটার বিধায়ক এবং দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান উদয়ন গুহের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি দিনহাটার মানুষ। সেই দিনহাটার মানুষের জন্য জমি দান প্রমাণ করে এই মাটির প্রতি তার ভালোবাসার-টান এখনো সতেজ।’
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরো গোধূলি বাজারের পাঁচ শরিকের মধ্যে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-সহ তিন জন ইতিমধ্যেই দানপত্র করে জমি দান করেছেন। বাকি দু’জন এখনও দান করেননি।
এই দানপত্র পেয়ে খুশি পৌরসভা। তেমনই খুশি দিনহাটার মানুষও। দিনহাটার মানুষ হলেও প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্র প্রধান ছিলেন এরশাদ। সেই এরশাদকে নিয়ে এমনিতেই দিনহাটার মানুষের গর্বের শেষ নেই। এবার সেই মানুষের পৈতৃক অংশ দান করার খবরে সেই গর্বের পারদ আরও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।  
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop