বিনোদনের সময়বাংলাদেশকে আমার চেনা হয়ে গেছে: কবীর সুমন

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
ঐতো তোমার শহর, ঐতো তোমার ঢাকা
আমায় নিয়ে উড়ছে এখন এরোপ্লেনের পাখা,
ঐতো তোমার শহর, তোমার গন্ধ মাখা
বিমান থেকে দেখছি তোমার আমার শহর ঢাকা
 
যে অসামান্য শিল্পী আমাদের প্রিয় শহর ঢাকাকে নিয়ে এই গান লিখেছেন তিনি আর কেউ নন, কবীর সুমন। তবে, আফসোসের বিষয় যে, এই শিল্পীর অনেক অভিমান জমেছে এই বাংলাদেশের প্রতি।
 
তিনি গান লিখেছেন নন্দীগ্রাম নিয়ে, গান গেয়েছেন শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে। তিনি বুকে লালন করেন নজরুল, চিত্তরঞ্জন আর সূর্যসেনকে। সলিল চৌধুরীর কাছে যিনি পেয়েছিলেন গানের শিক্ষা, যিনি রোহিঙ্গা সমস্যাকে মিয়ানমার সরকারের রাষ্ট্রীয় শয়তানি বলে অভিহিত করেছেন, তাকেই কিনা বাংলাদেশে গান গাইতে আসতে মানা করেছেন এ দেশের ইন্টেলেকচুয়ালদের একাংশ! তিনি অভিমান করবেনই বা না কেন... 
যার গান শুনে বাঙালি মধ্যবিত্ত অজস্র বিকাল পেয়েছে সেই কবীর সুমন আজ এখানে এই মাটিতে আসতে নারাজ। সম্প্রতি সময়নিউজকে দেয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করেছেন। 
১৯৯৬ ও ‘৯৮ সালে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের আমন্ত্রণে দুইবার বাংলাদেশে আসেন কবীর সুমন। তখন তার নাম ছিল সুমন চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সেবার গান গেয়ে আমি জেনেছিলাম ৫২ লাখ টাকা উঠেছিল। একটি আমেরিকান পত্রিকা যা কিনা বাংলাভাষা-ভাষিরা বের করেন, সেখানেই এই তথ্য পেয়েছিলাম। একটা পয়সাও নেইনি আমি।
তবে, বাংলাদেশে তিনি যেতে চান না আর।
এর কারণ হিসেবে কবীর সুমন বলেন, পরবর্তীতে বাংলাদেশে আমার সন্তানপ্রতীম কিছু মানুষ শিল্পকলা একাডেমিতে আমার শো’য়ের ব্যবস্থা করেন। তখন সেখানে হল ম্যানেজ করা থেকে শুরু করে আয়করের হিসাব পর্যন্ত সবকিছুই দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে জানতে পারি আমাকে সেখানে গান গাইতে দেয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমার নামে সেখানে বলা হয়- কবীর সুমন ভারতের শিল্পী। তাকে এইদেশে গান গাইতে দেয়া হবে না।
এই লোকটা দুটো সঙ্গীত সফর করে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের জন্য টাকা তুললেন.. আমি কোনো টাকা নেইনি, একটি পয়সাও নিইনি আমি। ভেবেছি এটা আমার দায়িত্ব।
তারা আমাকে আটকে দিলেন, তারা পিকেট করছিলেন, বলছিলেন কবীর সুমন ভারতের। একারণে আমি আর বাংলাদেশে যাইনি। আর যাবো বলে মনে হয় না। আমি ভারতের লোক।
বাংলাদেশ সরকার যদি এখন আপনাকে যেতে অনুরোধ করে? এমন প্রশ্নে এই অভিমানী শিল্পী বলেন,  কেন আমি যাবো? মার্জনা করবেন। তখন বাংলাদেশ সরকার কী করছিলো? তখন তাদের মনে পড়লো না? কারো মনে হলো না? 
বাংলাদেশ আমার ভীষণ প্রিয় জায়গা, কিন্তু যাবার ইচ্ছে নেই আর। 
দেখুন আমি আর বেশিদিন বাঁচতে চাই না। বেশিদিন বাঁচার ইচ্ছেও নেই আমার। তবে বাংলাদেশকে আমার চেনা হয়ে গেছে। 
 
 
কবীর সুমনের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন সময় টিভির কলকাতা প্রতিনিধি   সুব্রত আচার্য্য

 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop