ksrm

ভোটের হাওয়ারাজশাহীতে ভোটের মাঠে মেয়র প্রার্থীরা

সাইফুর রহমান রকি

fb tw
আসন্ন সিটি নির্বাচনকে ঘিরে রাজশাহীতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। আর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা আসন্ন সিটি নির্বাচনে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারবেন এমন প্রার্থীকে নগরপিতার দৌড়ে এগিয়ে রাখছেন। তবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে এমন পরীক্ষিত যোগ্য ব্যক্তির হাতে নগরীর দায়িত্বভার তুলে দিতে চান ভোটাররা।

ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুলাই। তাই আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছেন। জনসংযোগ ও দলীয় কর্মকাণ্ড ছাড়াও তৃণমূলকে চাঙ্গা করা, ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। এছাড়া ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নগরজুড়ে পোষ্টারও লাগিয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছে বিএনপি।
নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, প্রতিদিন কোন না কোন এলাকায় আমাদের কর্মীরা কাজ করছে।  
          
বর্তমান মেয়র  মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা অবশ্যই মাঠে আছি।  যে কোন নির্বাচন ও আন্দোলনকে মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে।
জাতীয় পার্টি সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী  ওয়াশিউর রহমান দোলন বলেন, এরশাদের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মাঠে আছি এবং থাকবো।

আসন্ন সিটি নির্বাচনে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার পাশাপাশি শিল্প নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারবেন এমন প্রার্থীকে এগিয়ে রাখছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

 সুশাসনের জন্য নাগরিক রাজশাহী সভাপতি সুব্রত কুমার পাল বলেন, রাজশাহী সিটিকে কিভাবে উন্নত নগরীতে পরিণত করা যায়, পাশাপাশি বেকার সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় এই চ্যালেঞ্জ যিনি নিতে পারবেন তার পক্ষেই নগর পিতা হওয়া সম্ভব হবে।
            
 রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন, মৌলিক অধিকারগুলি দিতে পারতে এমন প্রার্থী আমরা খুঁজছি।
তবে ভোটাররা বলছেন, দল মতের ঊর্ধ্বে উঠে, এবার যোগ্য প্রার্থীকে নগরপিতা নির্বাচিত করতে চান তারা।
কয়েকজন ভোটার বলেন, মার্কা দেখে না ভোট দিতে হবে যোগ্য ব্যক্তি দেখে।
বিগত সিটি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পান ১ লাখ ৩১ হাজার আটান্ন ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ৮৩ হাজার ৭’শ ২৬ ভোট। নগরীর মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৮ হাজার ১’শ ৮৪।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop