পশ্চিমবঙ্গমাটির ভাঁড়ে চায়ের টানে...

সুব্রত আচার্য

fb tw
কলকাতায় এসে মাটির ভাঁড়ে চা পান করেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বাংলাদেশ থেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটক কিংবা স্থানীয় বাসিন্দা, মাটির ভাঁড়ের চায়ে ধোঁয়া উড়ানোর বন্ধু-বান্ধবীর সঙ্গে আড্ডার সাক্ষী নন- এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন। এমনকি বাংলাদেশের সংগীত শিল্পী প্রীতম আহমেদ এই মাটির ভাঁড়ের চায়ে চুমুক দিতে ঢাকা থেকে ছুটে আসেন কলকাতায়।
কলকাতা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের এই উপশহরের নাম সোদপুর। সকাল দুপুর কিংবা সন্ধ্যা- সব সময়ই মাটির ভাঁড়ে গরম গরম চায়ে চুমুকে ব্যস্ত থাকেন চা-প্রেমী মানুষ। বিখ্যাত এই চায়ের দোকানে পাওয়া গেল বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী প্রীতম আহমেদকে। তিনি ঢাকা থেকে কলকাতায় এসেছেন শুধুমাত্র ভাঁড়ের চায়ে চুমুক দেওয়া জন্য।
সংগীত শিল্পী প্রীতম আহমেদ সময়নিউজকে বলেন, ‘এই চা খেতে সত্যিই খুব অসাধারণ লাগে। আর এই চা একরকম নেশার মতো।’
ভারতের পড়তে আসা বাংলাদেশি ছাত্র সূর্যসেন সময়নিউজকে বলেন, ‘মাটির সাথে বাংলাও বাঙালির আদিম সম্পর্ক তো আছে। আর তার সঙ্গে মাটির ভাঁড়ে চা, আহ কী বলবো! প্রত্যেক বিকেলে এক কাপ চা এটি তো বাঙালির একটি দাবি থাকে। আর সেই দাবি মেটাতে এক বাংলা থেকে আরেক বাংলায়।
শুধু বাংলাদেশি পর্যটকরাই নন, মাটির ভাঁড়ের চায়ের গুণগান শোনা গেল স্থানীয়দের মুখেও।
চা প্রেমীরা কেন পছন্দ করেন এই চা। এমন প্রশ্নের জবাবে এক চা বিক্রেতা সময়নিউজকে বলেন, ‘কাগজ, প্লাস্টিক, কাঁচে সব সময় মানুষ চা খেতে পছন্দ করে না। তাই আমি চিন্তা করলাম মাটির ভাঁড়ের চা দিতে। কারণ এই মাটির ভাঁড়ের চায়ে পোড়া মাটির একটি গন্ধ আছে।’

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop