বিনোদনের সময়স্বামীর বিরুদ্ধে করা শ্রাবন্তীর মামলার খবর জানেনা পুলিশও!

বিনোদন সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
ছোট ও বড় পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় তারকা ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তীকে তার স্বামী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম গত ৭ মে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশের পর স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আর যৌতুকের মামলা করেন শ্রাবন্তী। কিন্তু সে মামলা সম্পর্কে জানেনা পুলিশ নিজেই! 
 
জানা গেছে, গত ৭ মে বগুড়া সদরের কালীতলার শিববাড়ির শ্রাবন্তীর বাবার বাসার ঠিকানায় তালাকের নোটিশ পাঠান স্বামী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। বিষয়টি জানাজানি হবার পর তালাক নিয়ে গণমাধ্যমে কথাও বলেন স্বামী খোরশেদ। এরপরই উঠে আসে স্ত্রী শ্রাবন্তীর করা মামলার বিষয়টিও। তবে মামলা সম্পর্কে স্বামী খোরশেদ কিছু জানেন না বলে জাগো নিউজকে জানান।
রাজধানীর খিলগাঁও থানায় শ্রাবন্তী মামলা করলেও অজ্ঞাত কারণে অন্ধকারে পুলিশ।
স্বামীর বিরুদ্ধে করা শ্রাবন্তীর মামলার তদন্ত কত দূর জানতে চাইতেই খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান এই প্রতিবেদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন, কবে-কখন মামলা হয়েছে? এরপর বলেন, কে তদন্ত করছেন তা আমি জানি না।
পরে আবার জানান, মামলা ওভাবেই আছে। মামলার তদন্ত চলছে। স্বামী-স্ত্রী আপস করে কি না সেজন্য মামলা ওভাবেই আছে। আমরা চেষ্টা করছি, তাদের মধ্যে যদি আপস হয়। তাদের সংসার যাতে না ভাঙে। সেজন্য মামলার ক্রস চেক চলছে।
যে অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল তা কি তবে তদন্ত হবে না? জবাবে ওসি বলেন, মামলা তো তদন্তাধীন। যিনি মামলাটি তদন্ত করছেন তিনিই বলতে পারবেন তদন্তের অবস্থা। থানার এসআই নগেন্দ্র মামলাটি তদন্ত করছেন বলে জানান তিনি।
তবে যোগাযোগ করা হলে খিলগাঁও থানার এসআই নগেন্দ্র বলেন, ‘কী বললেন? এ রকম মামলা তো আমার কাছে নাই? মামলার বাদী ও মামলা দায়েরের তারিখ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, না না, এ রকম কোনো মামলা আমার কাছে নাই। ওসিই ভালো বলতে পারবেন। এরপর আরও অনেক তথ্য এ প্রতিবেদকের কাছ থেকে নিলেও মামলা তার তদন্তাধীনে হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী ও মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সংসার জীবন শুরু করেন। এখন ভেঙে যাওয়ার পথে সেই সংসার। শ্রাবন্তী দীর্ঘদিন যাবৎ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। গত ২৫ জুন তিনি দেশে ফেরেন। এখন আছেন বগুড়ায়।
শ্রাবন্তী জানান, যুক্তরাষ্ট্রে থাকতেই স্বামীর পাঠানো তালাকের এই নোটিশের খবর পেয়েছেন তিনি। এরপর দ্রুত দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে দেশে আসেন। তাদের বড় মেয়ে রাবিয়াহ আলমের বয়স সাত আর ছোট মেয়ে আরিশা আলমের সাড়ে তিন বছর।
তালাকনামা ও মামলা সম্পর্কে গণমাধ্যমে শ্রাবন্তীর কথা বলার পর মুখ খুলেন স্বামী মোহাম্মদ খোরশেদ আলমও।
রোববার দুপুরে মোহাম্মদ খোরশেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েছি, এটি সত্যি। তবে আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেছে কি-না এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমাকে কিছু বলেওনি।’
ডিভোর্সের সিদ্ধান্তটি আরও ভালো করে বিবেচনা করে দেখবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেখুন, একসঙ্গে থাকার জন্য পারিবারিকভাবে আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। সবরকম চেষ্টা করেই আমরা ব্যর্থ। এরপর ডিভোর্সের এই সিদ্ধান্তও পারিবারিকভাবেই এসেছে। সুতারাং বিবেচনা করার আর কিছু নেই।’

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop