পশ্চিমবঙ্গবাংলাদেশ ভবন আংশিক খুললো

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
বিশ্বভারতীর সদ্য নির্মিত বাংলাদেশ ভবন আংশিক খুলে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কিংবা কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। কদিন আগে খুলে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ লাইব্রেরিটি। অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে ভবনের আংশিক খোলা পেয়ে খুশি শান্তিনিকেতনে ঘুরতে যাওয়া দেশ-বিদেশের পর্যটক এবং বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন, চলতি জুলাই মাসে পুরোপুরি খুলে দেওয়া হতে পারে এই ভবনটি।
বাংলাদেশ যাদুঘর, স্টাডি রুম, ইন্টারন্যাশনাল অডিটোরিয়াম ছাড়াও লাইব্রেরি এই চার শাখা নিয়ে দুই বিঘা জমির ওপর নির্মিত হয় ৪ হাজার বর্গ মিটারের এই বাংলাদেশ ভবন।
বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে শান্তিনিকেতনের বাজিপোড়ার মাঠে নির্মিত বাংলাদেশ ভবনের দ্বার উন্মোচন করেন ২৫ মে। প্রায় দেড় মাস হয়ে গেলেও আজও পুরোপুরি খুলে  দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাত ছুঁয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরই তা দুই এক-দিনের মধ্যে খুলে যাবে এমনটাই আশা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা করতে না পারায় কিছুটা দুখ প্রকাশও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজকলি সেন জানান, আমরা বাংলাদেশ ভবনের চাবি হাতে পেয়েছি। তবে সব গুলো শাখা খুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি এখনো। এর কারণ হিসাবে তার ব্যাখ্যা, ”বাংলাদেশ মিউজিয়ামে মূল্যবান বহু জিনিষপত্র রয়েছে। এমন অনেক টেবিল রয়েছে যার কাঁচ ভাল করে লাগানোই ছিল না। সেই কাঁচ গুলো লাগানোর কাজ চলছে এখন। সেগুলো হলেই খুলে দেওয়া হবে মিউজিয়াম কক্ষটি।
যোগাযোগ করা হয় কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, জুলাই মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ ভবন পুরোপুরি ভাবে খুলে দেওয়া হবে।  কিছু জিনিষ পুরোপুরিভাবে বসানো হয়নি, এবং কিছু নিরাপত্তার বিষয়কও ইস্যু ছিল।  তিনি আরো জানান, লাইব্রেরিতে ৩ হাজার বই দেওয়া আছে। সেখানে আরো ৩ হাজার বই দেওয়া হবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা-মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই ভবন নির্মাণ ও এর মধ্যে থাকা জিনিষপত্র সরবরাহ করেছে। তবে স্থানীয় অভিভাবক হিসাবে কলকাতার বাংলাদেশ ভবনকে তারা নিযুক্ত করে। অন্যদিকে বিশ্বভারতীর জমিতে নির্মিত হওয়ায় এই ভবনের সরকারিভাবে মালিক বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ হাতে চাবি পেলেই পুরোপুরি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস থেকে বাংলাদেশ ভবন বুঝে পায়নি। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে উদ্বোধনের জন্য তাড়াহুড়ো করে বহু কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই করা হয়েছিল। সেই কাজ গুলো এখন করা হচ্ছে। সেটা শেষ হতে জুলাই মাসের ১৫ তারিখ হয়ে যেতে পারে।
কলকাতার উপ-দূতাবাস সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই উপ-দূতাবাস থেকে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই তালিকার সঙ্গে বাস্তবের হাতে পাওয়া জিনিষের মিল পাওয়ার পরই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কাগজে-কলমে ভবনের দায়িত্ব বুঝে নেবে।
বিশ্বভারতীর উপাচার্য সবুজকলি সেন এই প্রসঙ্গে আরো জানান, বাংলাদেশ সরকার এককালীন ভবন বাবদ টাকা দেওয়ার বাইরে ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আরো দশ কোটি রুপিও বিশ্বভারতীর তহবিলে অনুদান দিয়েছে।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop