বাংলার সময়কক্সবাজারে ১৫ লাখ পর্যটকের ২৫ লাইফগার্ড

কমল দে

fb tw
নানা অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার জাঁতাকল থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।  বছরে ১৫ লাখের বেশি পর্যটক আসলেও বিপরীতে লাইফ গার্ড কর্মী রয়েছে দু’শিফটে মাত্র ২৫ জন। আবার লাইফ গার্ড কর্মীদের নেই তেমন কোনো ইকুইপমেন্ট। এছাড়া পুরো সৈকত এলাকাকে ছয়টি পয়েন্টে ভাগ করা হলেও গোসলের অনুমতি রয়েছে তিনটি পয়েন্টে। এ অবস্থায় প্রায়ই ঘটছে  দুর্ঘটনা।  
প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজারের সৈকতকে লাবনী, ডায়াবেটিক, সুগন্ধা, কলাতলী, হিমছড়ি এবং ইনানী নামে মোট ৬টি পয়েন্টে ভাগ করা  হয়েছে । এছাড়া সৈকতের পাশে অবস্থানরত হোটেলগুলোর নামেও রয়েছে ছোট ছোট কিছু পয়েন্ট। কিন্তু এর মধ্যে শুধুমাত্র লাবনী ও সুগন্ধা পয়েন্টে পূর্ণাঙ্গ গোসলের অনুমতি’র পাশাপাশি লাইফ গার্ডের কর্মীদের কাজ করতে বলা হয়েছে। হোটেল মোটেল জোনের খুব কাছাকাছি হওয়ায় এ দু’টি পয়েন্টে হাজার হাজার পর্যটকের ভিড় থাকে। আবার অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য পয়েন্টগুলোতেও ভিড় কম থাকে না। সারা বছর পর্যটকের সমাগম থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল।    
 পর্যটকরা বলেন, ‌‌‌‌‌‌‌কিছু লাইফগার্ড দরকার। বেআইনি অনেক কিছুই দেখা যায়। অবশ্যই লাইফজ্যাকেট প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা উচিত। কিন্তু তা অনেক কম। '
 
বর্তমানে পুরো সৈকত এলাকায় মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান লাইফগার্ডের কাজ করলেও সর্বসাকুল্যে তাদের কর্মী রয়েছে মাত্র ২৫ জন। আর যন্ত্রপাতি’র মধ্যে রয়েছে মাত্র নয়টি স্কি টিউব এবং একটি রেসকিউ বোট। যে কারণে দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে লাইফগার্ড কর্মীদের বিপাকে পড়তে হয়।
লাইফ গার্ড কর্মীরা বলেন, 'আমাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কম। বিদেশে যেমন রেস্কিউ হয় আমাদের তা হয় না। '
 
ভাটা এবং  দুর্যোগকালীন শুধুমাত্র লাল পতাকা লাগিয়ে সতর্কতা জারি করে লাইফগার্ড কর্মীরা তাদের দায়িত্ব শেষ করে। কিন্তু লাল পতাকা উপেক্ষা করে হাজার হাজার পর্যটক সাগরে গোসলে নামার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে বেশি। এ অবস্থায় কক্সবাজার সৈকত কেন্দ্রিক সরকারের তত্ত্বাবধানে একটি লাইফগার্ড ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পর্যটনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, জেলা প্রশাসক এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক টুরিস্ট পুলিশ এবং বিচ কর্মী নিয়োগ দেয়ার জন্যে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ গত ২২ জুন সকালে কক্সবাজার সৈকতে পানিতে ডুবে আদনান নামে আমেরিকা প্রবাসী এক তরুণের মৃত্যু হয়।
কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪ মাস ছিল পর্যটন মৌসুম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পালটে গেছে। এখন সারা বছর মানুষ ছুটে আসছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। এমনি এই বর্ষা মৌসুমে সাগর উত্তাল থাকা সত্ত্বেও হাজারো পর্যটকের ভিড় জমেছে এখানে। কিন্তু নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop