শিক্ষা সময়অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান

নাজমুস সালেহী

fb tw
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইন লঙ্ঘন করে খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়েই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান। ভার্সিটিগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্থায়ী শিক্ষকের সমপরিমান টিউশন ফি আদায় করলেও প্রতি কোর্সেই বদল হচ্ছে আগের শিক্ষক। ফলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় মাঝে মধ্যেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ আইনটিকে অযৌক্তিক বলে মনে করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসোশিয়েশন। তবে আইন না মানলে কঠোর ব্যাবস্থার কথা জানাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ইউজিসি'র সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, প্রায় সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই অনুমোদনের চেয়ে কয়েকগুন বেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। তবে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কত বেশী শিক্ষর্থী ভর্তি নিচ্ছে এমন তথ্য ইউজিসি'র কাছে না থাকলেও সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর লেখাপড়া চালিয়ে নিতে খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ববিদ্যায়গুলো। বাস্তবতাও বলছে সেই কথা।
অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, টিউশন ফি বাবদ স্থায়ী শিক্ষকের সমপরিমান অর্থ আদায় করা হলেও, পাঠদান চলছে খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়েই। ফলে কোর্স শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষকের চলে যাওয়া, হঠাৎ করে ক্লাস বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ নানা রকম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীরা বলেন, 'খন্ডকালীন শিক্ষকরা আমাদের এখানকার চেয়ে পারমানেন্ট জবকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা অন্য জায়গায় ভালো জব পেলে চলে গেলে আমাদের কোর্স পেন্ডিং রয়ে যায়।'
ইউজিসি'র আইন মোতাবেক, মোট স্থায়ী শিক্ষকের এক-তৃতীয়াংশ খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। কিন্ত বাস্তবতা বলছে, কেউই মানছেনা এই আইন। স্থায়ী শিক্ষকের সাত-আট শতাংশ বেশী খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার নজির রয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগের এমন আইনকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা সংস্কারের দাবি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসোশিয়েশনের।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসোশিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, 'শিক্ষক নিয়োগের যে আইন যখন করা হয়েছিলো তখন আর এখনের অনেক পার্থক্য।'
তাদের এমন যুক্তি মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান। আইন লঙ্ঘনকরীদের ব্যাপারে কঠোর ব্যাবস্থার কথা জানিয়ে ইউজিসি বলছে, বেসরকারি শিক্ষা ব্যাবস্থা ঢেলে সাজাতে কাজ শুরু করেছে তারা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop