পশ্চিমবঙ্গমমতার রাজ্যে মোদীর সভা সোমবার

সুব্রত আচার্য

fb tw
somoy
লক্ষ্য আগামী লোকসভা নির্বাচনে (২০১৯ সালে) পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া। সবশেষ বিধানসভা নির্বাচনের তেমন দাঁত ফোটাতে পারেনি বিজেপি। কিন্তু পরবর্তীতে কিছু উপনির্বাচন এবং পঞ্চায়েত ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টির অবস্থান কিছুটা হলেও শক্ত করেছে বিজেপি নেতৃত্বের আত্মবিশ্বাসের ভিত।
আর সেই ভিতটা আরো মজবুত করতে এবার ৩৪ হাজার কোটি টাকার কৃষক-বান্ধব প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়ার জন্য মমতার রাজ্যে পা রাখছেন কেন্দ্রের শাসক বিজেপি শীর্ষ নেতা তথা দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সোমবার (১৬ জুলাই) মেদিনীপুরের সভা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে চরম-অস্বস্তিও তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে এসে এত বড় রাজনৈতিক সভা এবং এত টাকার প্রকল্প ঘোষণা এই প্রথম করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী।
রাজনৈতিক মহল মনে করছেন, কৃষক-বান্ধব প্রকল্পগুলোকে সামনে রেখে আগামী লোকসভা নির্বাচনের গ্রামীণ ভোট বিজেপির বাক্সে ভরতে চাওয়ার এই কৌশলের পাল্টা প্রচারও শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রোজ পত্রিকার পাতায় পাতায় দেওয়া হচ্ছে মমতা সরকারের কৃষক-বান্ধব প্রকল্পের খতিয়ান। এমন কি নতুন নতুন প্রকল্পের কথাও অগ্রিম জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা এও মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা ঘিরে শুরু ঠাণ্ডা লড়াই কতটা জমবে সেটা অবশ্যই বুঝতে আরো কয়েক ঘণ্টা সময় দেখতে হবে সোমবারে নরেন্দ্র মোদীর কতটা তীক্ষ্ণভাবে মমতার সরকারকে আক্রমণ করেন- ওই অবধি।
সোমবারের প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সভায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। শহরের কলেজিয়েট মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সভায় আনুমানিক ৫ লাখ মানুষের জমায়েত হবে। বিজেপির প্রতি রাজ্যের মানুষের আস্থা ক্রমেই বাড়ছে। তাই কৃষক ছাড়াও ওই সভায় সাধারণ মানুষও যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বিজেপির সভাপতি।
শুধু মেদিনীপুর ছাড়াও বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং হাওড়া থেকেও প্রচুর সংখ্যক দলীয় সমর্থক ও কর্মীরা সভায় যোগ দেবেন বলেও বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেন।
যদিও তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সভার নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে সম্প্রতি রাজ্যের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা ও মমতা ব্যানার্জির ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যে স্বাগতম। উত্তরপ্রদেশে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করছে। এই রাজ্যে এমন কোনো ঘটনা নেই। সারা ভারতের মমতা ব্যানার্জির মতো কৃষক-বান্ধব সরকার আর একটিও নেই।
 
 
 

 
   
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop