ksrm

ফুটবল বিশ্বকাপফুটবলারদের কৃতিত্ব দিলেন দেশম, রেফারির সমালোচনায় দালিচ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
মারিও জাগালো এবং বেকেনবাওয়ার পর বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার এবং কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেন দিদিয়ের দেশম। তবে ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্বই কোচ দিলেন ফুটবলারদের। পুরোটা সময় খেলোয়াড়রা তাদের মানসিকতা ধরে রাখতে পারায় এই জয় সম্ভব হয়েছে। আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন দেশম। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে রেফারির ডাকা পেনাল্টিটির তুমুল সমালোচনা করেছেন ক্রোয়াট কোচ জ্লাতকো দালিচ।
 
অমরত্বের পেয়ালায় চুমুকটা দিয়েছেন আগেই। অধিনায়ক হিসেবে ফ্রান্সকে প্রথমবারের মতো এনে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপ শিরোপা। সেই সুধা পান করলেন এবার কোচ হিসেবে। বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার এবং কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেন দিদিয়ের দেশম। তাই কিনা তাকে কেন্দ্র করেই উচ্ছ্বাস হয়ে উঠে বাঁধ ভাঙ্গা।
অথচ বিশ্বকাপ শুরুর আগে দেশমকে নিয়ে হয়েছে কতই না সামালোচনা। করিম বেঞ্জমাকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না রাখা। পাভার এবং হার্নান্দেজের মতো একেবারে তরুণ দুই উইংগার রাখা নিয়ে তাকে শুনতে হয়েছে কটু কথা। তবে মাঠে ফুটবলারদের কারুকার্যের পাশাপাশি ডাগ আউটে দেশম কাজটা করেছেন সুচারু রূপে। পুরো দলকে এক সূতায় গেঁথে রেখেছেন তিনি।
দেশম বলেন, এটা একেবারে তরুণ একটা দল, এখন যারা বিশ্বে সবার উপরে। এদের কেউ কেউ আবার ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। ওরা আসলে বিশ্বকাপ কি! চ্যাম্পিয়ন হওয়া কি এসবের কিছুই জানত না। আমি বলে ছিলাম শুরুর মানসিকতা ধরে রেখে খেলে এসো। এরপর পর কি হবে সেটা পরের বিষয়। ওরা কাজটা করতে পেরেছে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগে কেবল মাত্র দুই জনই কোচ এবং ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ জেতার কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছিল। ব্রাজিলের মারিও জাগালো এবং জার্মানির বেকেনবাওয়া। দেশম সেই ইতিহাসে ভাগ বসালেন তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে। এমন অর্জনের পরও দেশমের উত্তরটা একেবারে সাদা মাটা। কৃতিত্বের সবটুকু দিলেন ফুটবলারদের।
তিনি আরও বলেন, মারিও জাগালো বেকেনবাওয়া দুজনই অনেক বড় মাপের ফুটবলার ছিলেন। কোচ হিসেবেও ছিলেন অনেক কৌশুলি। আমিও এখন তাদের মতোই বিশ্বকাপ জয়ী। তবে ওরা দুজন অসাধারণ ছিলেন। এ অর্জনে আমি যতটা খুশি তার চেয়ে বেশি ভাল লাগছে ফুটবলারদের উল্লাস দেখে।
পরাজিতদের কেউ মনে রাখে না। তবে বিশ্বকাপ ইতিহাস একেবারেই কি ভুলে যেতে পারবে ক্রোয়েশিয়াকে। মদ্রিচ, র‌্যাকিটিচ, মানজুকিচদের নিয়ে কোচ জ্লাতকো দালিচের যাত্রাটা নিশ্চয়ই ইতিহাস স্মরণে রাখতে আজীবন। ফাইনাল ম্যাচটা ফ্রান্সের বিপক্ষে তারা হেরেছে ৪-২ গোলে। তবে রিভিওতে রেফারির পেনাল্টি ডাকার সমালোচনা করলেন ক্রোয়াট কোচ।
তিনি বলেন, এটা হয়ত ওদের বিশ্বকাপ জয়ে বাঁধা হতো না। তবে বিশ্বকাপের ফাইনালে এমন পেনাল্টি দেয়াটা আমাকে হতাশ করেছে। রেফারির উপর আমার কোন অভিযোগ নেই। ভাগ্য খারাপ আমাদের ভাল খেলেও হারতে হয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop