ksrm

পশ্চিমবঙ্গ‌মা-মাটি-মানুষের সরকার, সিন্ডিকেট সরকার: মমতাকে খোঁচা মোদীর

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
জুলুমবাজরা যেই হোন না কেন তাদের বিদায় নিতেই হয়- ইতিহাস সাক্ষী এই মহা বাস্তবতার। মেদিনীপুরের ঐতিহাসিক শহর থেকে সংগঠিত, সংকল্প এবং সাহস নিয়ে বিজেপি কর্মীদের যেতে হবে। তবেই ত্রিপুরার মতো পশ্চিমবঙ্গেও বদল আসবে। তিন দিনের রাজনৈতিক সভার দ্বিতীয় দিন পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর কলেজ মাঠে দাঁড়িয়ে এভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যটির শাসক দলকে বিঁধলেন।
মোদী বলেন, ‌‌‌‌‌রাজ্যের কৃষকদের লাভ নেই। গরিবরা স্বস্তিতে নেই এবং বেকারদের চাকরি নেই। যে সিন্ডিকেট রাজত্বের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গবাসী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন সেই তৃণমূল কংগ্রেস বামফ্রন্টের চেয়েও খারাপ অবস্থার তৈরি করেছে। গত আট বছরে মা-মাটি-মানুষের সরকারকে রাজ্যবাসী সিন্ডিকেট সরকার হিসেবেই দেখছেন।
এখানে কলেজে ভর্তি হতে সিন্ডিকেট, বালু-সিমেন্ট-টিন-পাথর কিনতে হলে সিন্ডিকেট এমন কি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনতে ও বেচতেও সিন্ডিকেট তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের এই সরকার।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কৃষক মোর্চার আয়োজনে ’কৃষক কল্যাণ সমাবেশ’ এই দিন আরো উপস্থিত ছিলেন রাজ্যটির বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, কৈলাস বিজয়বর্গী, বাবুল সুপ্রিয়, মুকুল রায় এবং কৃষক মোর্চার সভাপতি রামকৃষ্ণ পাল।
প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই এদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী তার বক্তব্য শুরু করেন বাংলায়। মিনিট কয়েক সভা চলার পরই পাশের একটি মঞ্চ ভেঙে পড়লে সেটা দেখে কিছু সময় বক্তব্য বন্ধ করে আহতদের তার অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। ফের বক্তব্য শুরু করে বিশ্বকাপ খেলার ফাইনাল খেলা দেখার কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনাদের ফুটবল প্রেমের কথা সারা বিশ্ব জেনে গিয়েছে। কৃষকদের জন্য তার সরকার কি কি উদ্যোগ নিয়েছে তার একটা নাতিদীর্ঘ বর্ণনা করেন। বলেন, বাঁশ চাষ করে তা কাটার আইন পাস করা হয়েছে। আলুর মূল্য বেধে দেওয়ার জন্য সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। পাটের ব্যাগের দাম বেড়েছে।
কৃষকদের আয় আগামী ২০২২ সালের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যাবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, নির্বাচনের দলিত শ্রেণির মানুষের ওপর চরম নির্যাতন করেছে শাসক দল। তাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। খুন করা হয়েছে। ভোটে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
এসবই রাজ্যবাসী জানেন। বাংলার মানুষ এখন সুযোগ খুঁজছেন। সুযোগ পেলেই তারা নিশ্চিতভাবে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে নির্মাণ করবেন নিজেরাই।
এর আগে, মঞ্চে ভাষণ শুরুর সময় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
মোদী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের প্রতি যে প্রকল্প নিয়েছে, সেই জন্য রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেদিনীপুর জুড়ে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী পোস্টার-হোডির্ং লাগিয়েছেন। মোদীর ভাষায়, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন হাতজোড় করে।
এর আগে, রাজ্যবিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তৃণমূলের হিংসা প্রসঙ্গ এনে বলেন, ৪২ কৃষককে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি নির্বাচনে। ৩৪ শতাংশ কৃষক পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি এবং ২৭ জন যারা এই নির্বাচনের সহিংসতায় মারা গিয়েছেন তাদের অধিকাংশই কৃষক।
তিনি বলেন, মেদিনীপুর জেলা একটা ঐতিহাসিক জেলা। এই জেলা থেকেই বিজেপি দেশের প্রথম জনপ্রতিনিধি পেয়েছিল। এই জেলা থেকেই রাজ্যে পরিবর্তনের সূচনা হলো।
এদিকে, মোদীর ভাষণ চলাচালীন মঞ্চ ভেঙে আহতদের দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে আহত ২২ জন ভর্তি রয়েছেন। তবে, সবাই আশঙ্কামুক্ত বলে জানানো হয়েছে।
 
 

আরও পড়ুন

মোদীর সমাবেশে প্যান্ডেল ভাঙার ঘটনায় ‘অনিচ্ছাকৃত হত্যা চেষ্টা’ মামলা

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop