মহানগর সময়সরকারি আইনজীবীদের অবহেলায় খালাস পাচ্ছেন আসামিরা

কমল দে

fb tw
চট্টগ্রামে সরকার নিয়োজিত অতিরিক্ত পিপি এবং সহকারী পিপিদের একটি অংশ মামলার যথাযথ তদারকি করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নিজস্ব মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে সরকারের মামলাগুলোতে পর্যাপ্ত সময় না দেয়ার কারণে নানা ধরণের জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে খালাস পেয়ে যাচ্ছেন আসামিরা। এ অবস্থায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজের অধীন ২২টি আদালতে সরকার নিয়োজিত কৌশলী রয়েছেন ৯৭ জন। এর মধ্যে একজন পিপি, ৩৫ জন অতিরিক্ত পিপি এবং ৬১ জন সহকারী পিপি। আর জেলা দায়রা জজের অধীন ২৯টি আদালতে রয়েছেন ১২০ জন। এর মধ্যে ১ জন পিপি, ৪৭ জন অতিরিক্ত পিপি এবং ৭০ জন সহকারী পিপি। প্রতিটি আদালতের বিপরীতে অন্তত চারজন করে সরকারী কৌশলী থাকলেও শুনানির সময় অতিরিক্ত বা সহকারী পিপিদের দায়িত্বরত আদালতে পাওয়া যায় না।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আ ক ম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো কোর্ট যদি জানায়, এখানে দায়িত্বরত পিপি নেই, সাক্ষী এসেছে, শুনানি চলছে তখন আমি দৌড়ে গিয়ে দায়িত্ব পালন করি নতুবা আমার অতিরিক্ত পিপিকে ফোন করে ডেকে এনে দায়িত্বে রাখি।’
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন বলেন, ‘কোর্ট চলাকালীন তার নিজের মামলা না করে যদি অন্য মামলা লড়তে যায়, সেটা দুঃখজনক।’
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রের মাধ্যমে মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর বিচারিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য অতিরিক্ত পিপি এবং সহকারী পিপি দেওয়া হয়।  এর আগে পুলিশের কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর বা কোর্ট ইন্সপেক্টররা এসব মামলা পরিচালনা করতেন। বর্তমানে এই মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্তত ১০ জনের সমস্যা চিহ্নিত করেছে পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, ‘বেশির ভাগ সময় সাক্ষীরা আদালতে হাজির হয় না। এজন্য ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা জজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আদালতে বিচারাধীন মামলার আসামিরা সহজেই খালাস পেয়ে যাচ্ছেন।’
যেকোনো মামলার বিচার চলাকালে সব ধরণের কাজে বাদী পক্ষকে সরকার নিয়োজিত কৌসুলির ওপর নির্ভর করতে হয়। এই অবস্থায় সরকারের ভাতা নেওয়া সত্ত্বেও মামলার যথাযথ তদারকি না করাকে অনৈতিক বলে মনে করছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘যারা এই দায়িত্ব নিয়েছেন, তারা যদি মনে করেন এটা দিয়ে উনার চলবে না তাহলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। তারপর তিনি পাবলিক মামলা করুক। যারা সরকারি দায়িত্ব নিতে পারবেন তাদের সুযোগ দিক।’
চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা দায়রা জজের অধীন আদালতগুলোতে এক লাখের বেশি মামলা বিচারিক পর্যায়ে রয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop