শিক্ষা সময়ফলাফল পেয়ে বাঁধ ভাঙা উল্লাস

শিক্ষা সময় ডেস্ক

fb tw
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবছর সারাদেশে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, গত বছরের তুলনায় যা ২ দশমিক ২৭ শতাংশ কম। ফল প্রকাশের পরই বাঁধ ভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। কাঙ্ক্ষিত ফল হাতে পেয়ে আনন্দ যেন আকাশ ছোঁয়া। সন্তানের এই সাফল্যে আনন্দিত অভিভাবক আর শিক্ষকরাও। তবে এবারে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। মাত্র ২৯ হাজার ২৬২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
স্বপ্ন যেন ধরা দিয়েছে হাতের মুঠোয়। লক্ষ্য এবার আকাশ ছোঁয়ার।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দশটি শিক্ষাবোর্ডে এবারে অংশ নেয় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। শতকরা হিসেবে যা ৬৩ দশমিক ৬৪ ভাগ। যা গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ২৭ শতাংশ কম।
আটটি সাধারণ বোর্ডে অংশ নেয় ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬৬.১৩ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৬২.৭৩ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬২.১১, বরিশালে ৭০.৫৫ কুমিল্লায় ৬৫.৪২ আর দিনাজপুরে পাশের হার ৬০.২১ শতাংশ।
মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৮.৬৭, কারিগরি বোর্ডের অধীনে পাসের হার ৭৫.৫০ শতাংশ।
বারো বছরের শিক্ষা জীবন শেষে সাফল্য যাদের ধরা দিয়েছে সীমাহীন উল্লাসে মেতেছেন তারা। এমন দিনে শিক্ষক আর অভিভাবকের পরিশ্রমকেই বেশি এগিয়ে রাখছেন তারা। জানিয়েছেন নতুন স্বপ্নের কথা।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনেক কড়াকড়ির মধ্যে পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যেও জিপিএ-৫ পাওয়া অনেক কষ্টের ব্যাপার।’
আরেকজন বলেন, ‘যারা পড়াশোনা করেনি তারাও জিপিএ-৫ পেয়েছে, আমরা পেলাম না, এটা আসলে ভাগ্যের ব্যাপার।'
এবারে বিদেশের সাতটি কেন্দ্রে ২৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এরপর সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানরা তাদের স্ব স্ব বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের বক্তব্যের আগে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশ করেন।
 
ফল পুনঃনিরীক্ষা
টেলিটক মোবাইল ফোন থেকে আগামী ২০ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে বলে জানিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।
 ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেওয়া হবে।
 আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।
যেসব বিষয়ের দু’টি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দু’টি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।
 

আরও পড়ুন

এইচএসসিতে পাসের হার ৬৬.৬২ শতাংশ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop