পশ্চিমবঙ্গ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য জীবন দিয়ে লড়ছে সবাই’

সুব্রত আচার্য

fb tw
উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উঠলেও সেটা ধরে রাখতে ২০২১ সাল পর্যন্ত অনেক কষ্ট করতে হবে। তবে বাংলাদেশ সরকার যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে পাকাপাকিভাবেই ২০২১ সালে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। সোমবার কলকাতার একটি প্রভাবশীল বণিকসভা ও বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের আয়োজনে যৌথ সেমিনারে বক্তারা এই আশাবাদ ব্যক্ত করে তাদের মুল্যায়ন তুলে ধরেন। 
 
কলকাতার পার্ক হোটেলে আয়োজন করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের সিঁড়িতে ওঠার পর আগামী তিন বছর ঠিক কোন কৌশলে সেই স্বীকৃতি স্থায়ীভাবে আয়ত্ব করা যায়, সে বিষয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মত বিনিময়। প্রায় চার ঘণ্টার এই সেমিনারের শিরোনাম ছিল উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় পদার্পণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগী ভারত বাংলাদেশের ভূমিকা।
পশ্চিমবঙ্গের ক্রেতা সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী সাদন পাণ্ডে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রেড রিলেশনস আরো বাড়বে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ইকনমিক রিলেশন অনেক বেশি হবে।’  
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বলেন, ‘২০২১ সালে আমরা নিশ্চয়ই এটা অর্জন করতে পারবো, এবং আমরা আশা করি, স্বাধীনতার ৫০ তম বছরে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে পরিনত হবে।’
বাংলাদেশের সামনে এই স্বীকৃতি পাওয়া চ্যালেঞ্জ হলেও উন্নয়নশীল দেশের শিরোপা পাওয়া কঠিন নয় বলে মনে করেন ভারতের বিশেষজ্ঞরা।
শেয়ার মার্কেটের স্ট্যান্ডিং কমিটি ব্যাঙ্ক-এর লোন ও বিমা চেয়ারম্যান সুরজিত মিত্র বলেন, ‘উন্নয়নের নামে অন্য একটি দেশ কুক্ষিগত করে ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ডেভলপমেন্টের- এটা কিন্তু ভয়ঙ্কর কথা। সেই ফাঁদে যেন বাংলাদেশ না পড়ে।’ 
ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, ‘বাংলাদেশে যে বুরোক্রেসি এবং যে পলিটিশিয়ান, যারা পাওয়ারে আছে, তারা কিন্তু জীবন দিয়ে লড়ছে, কাজ করছে।’  
বাংলাদেশের এই স্বীকৃতি চুড়ান্তভাবে আদায়ের জন্য কয়েকটি সূচকের উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে। আর সেটা নিশ্চিতভাবে করা সম্ভব বলে মনে অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া বাংলাদেশের দুজন অতিথি।
বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি ড. জামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন যে প্ল্যানগুলো আছে, সেগুলো অ্যানালিসিস করতে হবে। কোয়ালিটি অফ ডুইং জব উইল হ্যাভ টু ইমপ্রুভ। সেখানে ইলেক্ট্রিসিটি এরিয়াতে ব্যাপক উন্নয়ন করতে হবে।’ 
এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট  শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ‘বাংলাদেশ বললে হয়তো আপনি আরএমজি বলতে পারেন। কিন্তু অন্যান্য যে ইতিবাচক কাজগুলো হচ্ছে, সেগুলো এখনও আমরা সঠিকভাবে জানিনা।’ 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত দুই দেশের বক্তারাই মনে করেন, ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এই অঞ্চলের অর্থনীতি আরো চাঙা হয়ে উঠবে। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop