বাণিজ্য সময়দীর্ঘমেয়াদি অর্থসংস্থানের সমাধান বন্ড : বিআইবিএম

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
দেশীয় উৎস থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থসংস্থান করতে না পারলে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে মনে করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট-বিআইবিএম। এ জন্য সরকারকে বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরামর্শ প্রতিষ্ঠানটির। বৃহস্পতিবার সরকারি বন্ডের বিষয়ে বিআইবিএম এর এক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে এমন তথ্য দেন আলোচকরা। তাদের মতে, আইনের সীমাবদ্ধতা, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয়হীনতায় বাংলাদেশে শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গড়ে উঠতে পারেনি। এ জন্য উভয় পক্ষকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান তাদের।
 
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ ঋণের উৎস হিসেবে সরকারের একমাত্র ভরসা সঞ্চয়পত্র ও বাণিজ্যিক ব্যাংক। এগুলো স্বল্পমেয়াদী। তবে ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণে তারল্য সংকটে বাধাগ্রস্ত হতে পারে বেসরকারি উন্নয়ন; আর সঞ্চয়পত্রে রয়েছে অতিরিক্ত সুদের বোঝা। এ অবস্থায় সরকারের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থসংস্থানের বিকল্প উৎস হিসেবে বাজারে বিভিন্ন ধরনের বন্ড ছাড়ার পরামর্শ বিআইবিএম এর এই গবেষকের।
বিআইবিএম-এর অধ্যাপক ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী বলেন, ‘সরকারের তাগিদ অবকাঠামো খাতে প্রচুর বিনিয়োগের। হাউজিং খাতে আমাদের প্রচুর বিনিয়োগ করা দরকার। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে চাইলে ব্যাংকের যে ডিপোজিট আছে, তার মেয়াদ স্বল্পকালীন। সেই অর্থ দিয়ে আমরা কখনোই এসব ক্ষেত্রে বেশি করে বিনিয়োগ করতে পারবো না। এক্ষেত্রে আমরা যদি বন্ড ইস্যু করে দীর্ঘকালীন ফান্ড গ্রহণ করি, সেটা আমরা চমৎকারভাবে ব্যবহার করতে পারবো।’     
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় দেখা যায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বড় অংকের অর্থ আসে বন্ড থেকে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড। অথচ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারেই তলানিতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রের প্রতি অতি নির্ভরতা ও প্রতিষ্ঠানিক সুশাসনের অভাবে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ আসছে না বন্ডে। যদিও এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস বাংলাদেশ ব্যাংকের।
প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী আরও বলেন, ‘ট্রেজারি বন্ড বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে। কারণ সঞ্চয়পত্রের প্রতি মানুষের মনযোগ বেড়ে গেছে। গভর্ন্যান্স যদি না থাকে, তাহলে ব্যাংক যে বন্ডগুলো ইস্যু করবে সেটা কিন্তু অনেকে কিনতে চাইবে না।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে শুর চৌধুরী বলেন, ‘কোনো করপোরেশন আজ পর্যন্ত কোনো সাবস্ট্যানশিয়ালি ইন্টারেস্ট দেখায়নি। এর পেছনে দায়ী আমাদের অ্যাওয়ারনেস। সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সকল রেগুলেটর গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করছে এ ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে।’     
দেশে বর্তমানে পাঁচ ধরনের ট্রেজারি বন্ড ও দুই ধরনের কর্পোরেট বন্ড রয়েছে। এগুলোর মেয়াদ ২ থেকে ২০ বছর। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop