পশ্চিমবঙ্গভারতে পাচার হওয়া শিশুদের দেশে ফেরার আকুতি

সুব্রত আচার্য

fb tw
ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলা থেকে একদল দালাল, ভারতের ব্যাঙ্গালুরু নগরীর কানাডিয়ান নাগরিক অধ্যুষিত এলাকায় বাংলাদেশি শিশুদের অনৈতিক কাজ করিয়ে সিন্ডিকেট ব্যবসা করছে।
 
এই শিশুদের কাজ কানাডিয়ান বাসিন্দাদের বাড়ির সামনে থেকে মদের বোতল, বিয়ারের ক্যান কুড়িয়ে নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা। এ মুহূর্তে সেখানে কমপক্ষে ৩শ শিশু এই কাজ করছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ওই কাজে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশি শিশু। সময় সংবাদ এর হাতে পৌঁছেছে ওই শিশুদের বিস্ময়কর জবানবন্দি।
ভারতে বাংলাদেশি নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা অনেকটা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। অজানা নেই ভারতের বিভিন্ন রেড-লাইট জোনে বাংলাদেশি নারীদের বিক্রি হওয়ার খবরের কথাও। কিন্তু শিউরে উঠতে হয় এই তথ্য জেনে যে, ভারতের বেশ কিছু এলাকায় বাংলাদেশ থেকে সিন্ডিকেট দালাল চক্র শিশুদের দিয়ে অমানবিক কাজ করিয়ে লাখ লাখ টাকা রোজগার করছে। আর এর বিনিময়ে শিশুদের ভাগ্যে জুটছে জেল-জুলুম কিংবা ভারতীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্যাতন। এমন একটি ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য সময় সংবাদের হাতে পৌঁছায়।
দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে বিত্তশালীদের নগরী ব্যাঙ্গালুরু। এখানকার বিদেশিদের বসবাসের একটি জায়গার নাম কানাডিয়ান সিটি।
এখানেই বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, কুষ্টিয়ার প্রায় তিন শতাধিক শিশু-কিশোরকে মোটা অংকের টাকার কাজ পাইয়ে দেয়ার টোপ দিয়ে দিয়ে নিয়ে বিয়ারের ক্যান, মদের বোতাল কুড়ানোর ব্যবসায় লাগানো হচ্ছে।
এদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এখন পশ্চিমবঙ্গের সংশোধনাগারে দেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন-গুণছে। তারাই জানায়, এমন শিউরে ওঠার মতো তথ্য।
এসব শিশুর দাবি, ধরা পড়ার পর ভারতীয় পুলিশ তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। তেমনই যে সিন্ডিকেট দালালের হাত ধরে ব্যাঙ্গালুরুতে এই শিশুরা ব্যবসা করতো, তাকে জানালেও সাহায্য পায়নি।
শিশুরা জানায়, খুলনার এক দালাল আমাদের ভারতে নিয়ে গেছে। তার নাম মজনু। প্রথমে বলছে, আমাদের ছাড়িয়ে নেবে। কিন্তু এখন টাকা নাই বলে, আমাদেরকে নিচ্ছে না।
এই শিশুদের সঙ্গে সম্প্রতি কথা বলেছেন, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার পর, দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস হেড অব চ্যান্সারি কাউন্সিলর বি এম জামাল হোসেন বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি, এই পাঠানোর প্রক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করা।
ব্যাঙ্গালুরুর কানাডিয়ান সিটিতে বাংলাদেশি দালালের খপ্পরে পড়ে আটকে যাওয়া এই শিশুদের ফেরত এনে দ্রুত খুলনা, বাগেরহাটের শিশুপাচারকারীদের শনাক্ত করে, আইনের হাতে তুলে দেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop