বাংলার সময়কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের হিড়িক!

সঞ্জয় কর্মকার অভিজিৎ

fb tw

 
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের স্রোত দেখা যায় মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে থেকে লঞ্চ, স্পীডবোট এবং ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল চোখে পড়ার মত। প্রতিটি লঞ্চ ও স্পীডবোটে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে। এই সুযোগে বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন অসাধুরা চালক ও মালিকরা। এছাড়া দূরপাল্লার পরিবহনগুলোতেও একই চিত্র। ভিতরে জায়গা না পেয়ে অনেকেই বাসের ছাদে ছড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে শুরু করেছেন।
একাধিক সূত্র জানায়, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে কাঁঠালবাড়ি এলাকায় দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা দেখা গেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় নজরদারি বাড়িয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিম কাজ করছে। এই নৌরুটে ১৭টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও দেড় ১শ’ টিরও বেশি স্পীডবোট চলাচল করে। ঈদে যাত্রীদের নিরাপত্তায় সিসি টিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ৩শ’র বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছে।
সরেজমিন পরিদর্শন  করে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মাইক্রোবাসের চলাচলকারী যাত্রীরা। ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রী উঠাচ্ছেন এর মালিক ও চালকরা। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে দেড় থেকে দুই গুন। লঞ্চ, স্পীডবোট এবং ফেরিতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ দেখা গেছে।
বাগেরহাটের মোল্লারহাট এলাকার যাত্রী সুজন মিয়া বলেন, সাধারণ সময় বাসে ৩শ’ থেকে সাড়ে ৩শ’ থেকে টাকা নিলেও এই সময় যাত্রীদের জিম্মি করে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া বাসের ভিতরেও বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। প্রশাসনের গুরুত্ব দেয়া উচিৎ।
কাঁঠালবাড়ি থেকে মাইক্রোবাস যোগে বরিশালগামী যাত্রী ইসরাত জাহান পুতুল বলেন, সাধারণ সময়ে মাইক্রোবাসে ৩শ’ টাকা নেয়া হলে এখন নিচ্ছে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ করে। তা আবার প্রশাসনের সামনেই। প্রচন্ড গরমে মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে লোক ঢুকাচ্ছে।
শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চে আসা যাত্রী নাজমুল হোসেন বলেন, পদ্মায় পিনাক-৬ লঞ্চ দুর্ঘটনায় এতো মানুষ মারা গেল তবুও লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা বন্ধ হচ্ছে। প্রশাসনের এই বিষয়ে নজর দেয়া উচিৎ।
স্পীডবোটের যাত্রী তমা আক্তার বলেন, এই নৌরুটে নিয়মিত আমি ম্পীডবোটে চলাচল করি, স্বাভাবিক সময়ে ১শ’ ২০ টাকা ভাড়া নিয়ে ঈদ উপলক্ষে নেয়া হচ্ছে ২শ’ টাকা। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা প্রতিটি স্পীডবোটে লাইফ জ্যাকেট দেয়ার কথা থাকলেও কেউ এই নিয়ম মানছে না।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন মিঞা বলেন, বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি আমার নলেজে নেই। এই বাড়তি ভাড়া নেয়ার কথা সঠিকও নয়।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহম্মেদ বলেন, প্রশাসনের একাধিক টিম বিভিন্ন স্পটে ঘুরে বাড়তি ভাড়া না নেয়ার জন্য বাস ও মাইক্রোবাসের কাউন্টারে গিয়ে তাদেরকে সর্তক করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop