বাংলার সময়অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেয়ায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

আলী আকবর টুটুল

fb tw
somoy
কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ইন্টারনেটে অশ্লিল ছবি ছড়িয়ে দেয়ায় এক কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। তাঁর নাম দিশা মজুমদার (১৭)। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের দড়ি উমাজুড়ি গ্রামে। দিশা এই গ্রামের শুকুমার মজুমদারের মেয়ে। সে স্থানীয় কালিদাস বড়াল ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

এলাকাবাসীরা জানান, বুধবার রাতে নিজঘরে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে দিশা। পরে রাত ১টার দিকে পুলিশ দিশার মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। দিশার সহপাঠিরা ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মাদকাসক্ত মিঠুন মজুমদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মিঠুন মজুমদার(২৬) একই গ্রাম ও একই বাড়ির সঞ্জয় মজুমদারের ছেলে।
দিশার মা সাধন মজুমদার সময় ডট নিউজকে জানান, কয়েকদিন আগে মিটুন আমার মেয়েকে ওদের ঘরে ডেকে নেয়। মিঠুন জোর করে দিশার অশ্লিল ছবি তোলে। আমরা লোক লজ্জার ভয়ে কেউকে বলিনি। এরপর থেকে আমার মেয়েকে বিভিন্ন সময় কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল মিঠুন। পরে ইন্টারনেটে আমার মেয়ের অশ্লিল ছবি ছড়িয়ে দেয়। মেয়ে ইন্টারনেটে তার ছবি দেখে লোক লজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করে। আমরা মিঠুনের কঠোর শাস্তি চাই।'
দিশার বাবা সুকুমার মজুমদার বলেন, 'বিভিন্ন সময় মিটুন আমার মেয়েকে উত্তাক্ত করত। আমরা বাধার দিলে মিঠুন ও তার ছোট ভাই টিটু মজুমদার আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকী দিত। শেষ পর্যন্ত ওর জন্য আমার মেয়ে প্রাণ দিল। আমরা ওর শাস্তি চাই।'
প্রতিবেশীরা জানান, 'মিঠুন এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার জন্য নিরিহ মেয় দিশার জীবন দিতে হল। আমরা মিঠুনের কঠোর শাস্তি চাই। আমাদের এলাকায় আগে কোন দিন এমন ঘটনা ঘটেনি। পুরো হিন্দু সমাজের সম্মান নষ্টকারী লম্পট মিঠুনের শাস্তি চাই।'
এদিকে মিঠুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিদাস বড়াল ডিগ্রি কলেজে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দিশার সহপাঠিরা। তারা জানান, 'দিশা আমাদের অনেক ভালো বন্ধু ছিল। যার জন্য তাকে পৃথিবী থেকে চলে যেত হল। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।'
চিতলমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দিশার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ঘটনার পর থেকে মিটুনের পরিবারের সকলে পলাতক রয়েছে। আমরা মিটুনকে আটকের চেষ্টার পাশাপাশি মূল ঘটনা উদঘাটনের জন্য চেষ্টা করছি।'

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop