পশ্চিমবঙ্গকলকাতায় দুর্গা পুজোর শোভাযাত্রা মঙ্গলবার

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
সোদপুরের প্রবীণ বাসিন্দা অমলা চৌধুরীর পক্ষে এবার কলকাতায় ঘুরে প্রতিমা দেখা সম্ভব হয়নি। ষাটোর্ধ্ব এই প্রবীণ নাগরিক বললেন, কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ মিলিয়ে বড় পুজোর সংখ্যা প্রায় একশ। কি করে সম্ভব হবে এত প্রতিমা একসঙ্গে দেখার।
-অমলা চৌধুরীর মতো অনেকেই কলকাতায় ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখতে পারেননি কিংবা পারেন না কোনো বছরই।
এমন অনেক নাগরিক টেলিভিশনের সামনে বসেছিলেন প্রতিমা দর্শন করতে। পুজোর এই পাঁচদিন তাদের চোখ ছিল শুধুই বোকা বাক্সের দিকে।
অমলা চৌধুরীরে মতো পঞ্চমীর থেকে দশমীর পর্যন্ত যারা দূরত্বের কারণে বড়বড় মন্ডপের প্রতিমা দেখতে পারেননি তাদের জন্যই মূলত আয়োজন দুর্গা পুজোর কার্নিভাল ২০১৮ বা দুর্গা পুজোর প্রতিমা শোভাযাত্রা ২০১৮।  
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর কলকাতর রেডরোডে আয়োজিত হবে এই শোভাযাত্রা। সূরচি সংঘ, বরিশা, চেতলা থেকে কলেজ স্কোয়ারের মতো সেরা মণ্ডপের প্রতিমা জায়গা পাবে এই শোভাযাত্রায়।
২০১৬ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এই দুর্গা পুজোর শোভাযাত্রার আয়োজন ধারাবাহিক রুপ নিয়েছে।
রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোর আগে একটি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোভাযাত্রা হিসেবে কলকাতার ‘দুর্গা পুজো কার্নিভাল’-কে রুপ দিতে চান। সেই মতো এবারও শুধু ভারত নয়, বিদেশি অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শোভাযাত্রা উপভোগ করার জন্য। বিশ্ব-গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে শোভাযাত্রার খবর প্রচার করার জন্য।
গত কয়েক বছর ধরে দুর্গা পুজোর এই উৎসবকে আরো আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করছে রাজ্য প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পুজো কমিটি গুলোকে ১৮ কোটি টাকা অনুদানও দিয়েছে মমতা প্রশাসন।
এছাড়া পুজোর এই কদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার প্রায় অর্ধশত পুজো মণ্ডপে ঘুরে পুজোর আয়োজকদের উৎসাহ দিয়েছেন।
 শারদীয় উৎসবকে জনসংযোগের বড়সড় জায়গা হিসেবে মনে করে তৃণমূল কংগ্রেসের এই রাজ্য প্রশাসন। আর সে কারণে পুজো শোভাযাত্রাকেও তৃণমূল সরকার তাদের গত কয়েক বছরের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে।
এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। গোটা রেডরোড জুড়ে কন্যাশ্রী, গতিধারা, যুবশ্রী, সবুজসাথী, খাদ্যসাথী, আনন্দধারা, সাবলম্বি, সমব্যার্থী, মিশন নির্মল বাংলার মতো ২১ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা জানানো হবে আলো-শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে। একই সঙ্গে ক্লাবগুলোকে দিয়েও ঘুরিয়ে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সাইবোর্ড, ব্যনার সামনে আনা হচ্ছে এবারও।
গত বছর ৬৫ টি ক্লাবকে শোভাযাত্রায় তাদের প্রতিমা প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যাটা বেড়ে ৮০ ছাড়িয়ে যাবে বলেই জানা যাচ্ছে।
যদিও রোববার দুপুর পর্যন্ত এই নিয়ে সরকারের পক্ষে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop