বাংলার সময়মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার ঘিরে ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা

সঞ্জয় কর্মকার অভিজিৎ

fb tw
মাদারীপুরের কালকিনিতে আধিপত্য নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেই চলেছে। বাঁশগাড়ি ইউনিয়নে পুলিশের একটি স্থায়ী তদন্ত কেন্দ্র থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেনা প্রশাসন। ইউনিয়নের ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। যদিও পুলিশ সুপারের দাবি, অদৃশ্য কারণে হঠাৎ করে পরিস্থিতি উত্তাল হওয়ায় থামছেনা এ সংঘর্ষ।

মাদারীপুরের কালকিনির বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের খুনেরচর, মধ্যচর, ভাদুরী, আউলিয়ারচর, দক্ষিন বাঁশগাড়ি এলাকায় একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেই চলেছে। ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ও ইউপি সদস্য আক্তার শিকদারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এসব এলাকা ধংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে। গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে আধিপত্য নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৫ জন। এরমধ্যে গত ৪ অক্টোবর বোমা বিস্ফোরণে ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খবির মৃধাসহ মারা গেছে দুজন। এছাড়া এমন ঘটনায় দু'চোখ, দু'হাত-পা হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন অনেকেই। এমনকি উভয়পক্ষের লোকজন প্রতিনিয়ত শত শত ঘরবাড়ি ভাংচুর, লুটপাট চালিয়েই যাচ্ছে।
একজন জানান, 'যদি আমি বাঁধা দিতে যাই, এ অছিলাই আমার দুই চোখ তুলে ফেলাই। আমাদের আত্মিয় স্বজন সব বাড়ির বাইরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।'
এদিকে অভিযুক্ত দুজনই এর দায় চাপাচ্ছে পুলিশের উপর। এসব ঘটনায় একাধিক মামলা হলেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষুব্ধ তারা।
মাদারীপুর কালকিনির বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, 'পুলিশ সন্ত্রাসীদের কখনই ধরে না। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি প্রায় ত্রিশটা মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে এসব আসামীদের নামে।'
অবশ্য মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালাদারের দাবি, বাঁশগাড়ি ইউনিয়নটি মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও বরিশাল জেলার সীমানাএলাকায় হওয়ায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অনেকটাই বেগ পেতে হয়। তিনি বলেন, 'এই লোকগুলো আসে অন্য জেলা থেকে। এ কারণে আমরা শান্তি উদ্যোগ নিতে গিয়েও ব্যর্থ হচ্ছি। আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে যারা মামলার আসামী প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে তাদের গ্রেফতার করব।'
এসব ঘটনায় কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃপা সিন্দু বালা ও বাঁশগাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মহিদুল ইসলামকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সম্প্রতি অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা এ দুজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা করেন আদালতে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop