ksrm

আন্তর্জাতিক সময়রাহুলের জেল্লায় পুড়ছে মোদির কেল্লা

পলাশ মাহমুদ

fb tw
somoy
সেমিফাইনাল শুরু হওয়ার আগেই উইকেট হারাতে শুরু করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপি। সোমবার হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর উরজিত প্যাটেল।
ভারতীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে মোদি প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তিনি পদত্যাগ করে থাকতে পারেন বলে ধারণা অনেকের। 
পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা হয় মঙ্গলবার (১১ডিসেম্বর)। এতে পাঁচটি রাজ্যেই চরমভাবে পরাজিত হয়েছে মোদির দল। পাঁচটির মধ্যে তিনটি রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে বিরোধী দল রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস।
রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিসগড়, তেলেঙ্গানা ও মিজোরামের মোদির পরাজয় আগামী লোকসভা নির্বাচনের সেমিফাইনালেও পরাজয় বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।
 
এর আগে ২০১৪ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিল মোদির দল। সেমিফাইনালে এগিয়ে থাকার ফল পেয়েছিলেন পরের বছর। ২০১৫ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ভারত শাসনের দায়িত্ব পান মোদি।
এবার যে পাঁচ রাজ্যে মোদির পরাজয় হয়েছে এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনকে ‘সেমিফাইনাল’ বলা হয়। অর্থাৎ,লোকসভা নির্বাচনের ‘ফাইনাল ম্যাচে’ ঠিক হবে, কে করবে দিল্লি শাসন। তবে যে দল এই সেমিফাইনালে জেতে লোকসভার ফাইনাল খেলায় তারাই দিল্লি শাসন করেন এমন এক ধারাই তৈরি হয়েছে ভারতের রাজনীতিতে।  
 
নির্বাচন হওয়া পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে ছত্তিসগড়ে ৯০টি আসনের ৬৮টি পেয়েছে কংগ্রেস। বিপরীতে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ১৫টি আসন। মধ্য প্রদেশে ২৩০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস ১১৪টি ও বিজেপি ১০৯টি আসন পেয়েছে। রাজস্থানে ১৯৯ আসনের মধ্যে কংগ্রেস ৯৯টি আসন পেয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বিজেপি পেয়েছে ৭৩টি। 
অন্য দু’টি রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে না পারলেও ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। মিজোরামে ৪০ আসনের মধ্যে মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট পেয়েছে ২৬টি। আর কংগ্রেস ৫টি ও বিজেপি পেয়েছে মাত্র ১টি। তেলেঙ্গানাতে ১১৯ আসনের মধ্যে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি ৮৮টি আসন নিয়েছে। কংগ্রেস ১৯টি আসন পেলেও বিজেপিকে ১টি আসন নিয়ে ফিরতে হয়েছে।
ভোটের হিসাব যেভাবেই ঘোরাফেরা করুক, এই নির্বাচনের মধ্যমনি ছিলেন কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী। পাঁচ রাজ্যে সাফল্যের পর জাতীয় পর্যায়ে বিরোধী রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন তিনি। এই জয়ে রাহুল গান্ধী ও তার দল কংগ্রেসের জেল্লা বেড়েছে।
অন্যদিকে ২০১৫ সালে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিজেপির কেল্লায় ধস নামতে শুরু করেছে। সোমবার উরজিত পাটেলের পদত্যাগের পর দিনই নির্বাচনে ভরাডুবি। আর ভরাডুবির দিনই বিকালে পদত্যাগ করেছেন মোদির অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সুরজিত ভল্লা।
নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি’র ফায়ারব্র্যান্ড নেতা যোগি আদিত্যনাথ ও বিজেপির অন্য নেতারা নানাভাবে ধর্মীয় মেরুকরণ করে বিধানসভা নির্বাচনে বৈতরণি পার করার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মানের বিষয়টিও আলোচনায় রেখেছিলেন বিজেপি নেতারা।
কিন্তু রাহুল গান্ধীর মধ্যমপন্থার কাছে মোদির ধর্মীয় ডামাডোল ধসে পড়েছে। ২০১৯ সালে সেই ধস কোথায় গিয়ে থামে সেটিই দেখার বিষয়। তবে আপাতত রাহুলের জেল্লায় যে মোদির কেল্লা পুড়তে শুরু করেছে তা বলা চলে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop