বাংলার সময়সোনা মসজিদ স্থলবন্দরে বাধাগ্রস্ত আমদানি কার্যক্রম

সময় সংবাদ

fb tw
পণ্য খালাসে জটিলতা, কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আংশিক শুল্ক ছাড় না দেয়াসহ নানা কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্দরে কমে গেছে আমদানি কার্যক্রম, এমনটাই বলছেন ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পণ্য আমদানি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, অন্যান্য বন্দরের মতো এখানেও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বন্দরের কর্মতৎপরতা বাড়বে। যদিও বন্দর কর্তৃপক্ষ রাজস্ব ঘাটতির নানা ব্যাখ্যা দেন। 
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ স্থল বন্দর। বছর দুয়েক আগেও গড়ে প্রতিদিন পাঁচশতাধিক গাড়ি ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে এই বন্দরে আসতো। এরপর পানামায় পণ্য খালাসের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যেতো আপেল কমলাসহ আমদানিকৃত বিভিন্ন ফল। ব্যাপক আমদানি ছিল মরিচ, ভুট্টা, আদা, জিরাসহ বিভিন্ন কাঁচামালেরও। কিন্তু বর্তমানে এই বন্দরে আমদানি হচ্ছে শুধু কমলা, পেঁয়াজ ও পাথর। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্য বন্দরে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আংশিক শুল্ক ছাড় দেয়া হলেও এখানে তা মানা হয় না। এছাড়া বন্দরে পণ্য খালাসে জটিলতা, জায়গা স্বল্পতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেক আমদানিকারক।
ব্যবসায়ীরা বলেন, পানামাতে পিঁয়াজ আর পাথর রেখে জায়গা ভরে থাকায় মাল নামানোর স্থান সংকুলান হয়না। পচনশীল পণ্য রাখতে আলাদা ইয়ার্ডের দাবি জানান তারা। বিক্রয় অযোগ্য পচে যাওয়া যেসব পণ্য থাকে সেগুলোর ট্যাক্স না নেয়ারও দাবি তাদের।
২০১৮ অর্থ বছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বরে লক্ষমাত্রার চিত্র:
জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ২০ কোটি, আগস্টে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২ কোটি, আদায় হয়েছে ১১ কোটি, সেপ্টেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ কোটি, আদায় হয়েছে ১২ কোটি, অক্টোবরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪ কোটি, আদায় হয়েছে ১৩ কোটি, নভেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৮ কোটি আর আদায় হয়েছে সাড়ে ১৮ কোটি এবং ডিসেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে সাড়ে ১৫ কোটি টাকা।
এতে সরকার শুধু রাজস্ব হারাচ্ছে না, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে এই অঞ্চল। তাই অন্যান্য বন্দরের মতো এখানেও সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার আহবান জানান পণ্য আমদানি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা।
অন্যান্য বন্দরগুলোর মতো এখানেও একইভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে এখান থেকে দ্বিগুণ রাজস্ব দেয়া সম্ভব বলে মনে করেন সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশিদ।
তবে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হওয়ার নানা কারণ ব্যাখা দিয়ে সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন এই শুল্ক কর্মকর্তা সন্তোষ সরেন। তিনি বলেন, পাথরে ট্যাক্সের পরিমাণ খুবই নগণ্য। যদি ট্যাক্সএবল আইটেম বা অধিক শুল্ক হার যুক্ত পণ্য আমদানি করা হয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুশো ট্রাক পণ্য আমদানি হচ্ছে এই বন্দরে। গত ছয় মাসে বন্দরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ১’শ ৪৩ কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে।

আরও পড়ুন

স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছেঝালকাঠিতে ধর্ষণ মামলার আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop