ksrm

পশ্চিমবঙ্গপর্দা উঠল কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
পর্দা উঠল কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা ২০১৯-এর। এবার এই আয়োজন ৪৩ বছরে পা রাখলো। বাংলাদেশ ছাড়াও এবারের মেলায় ২১টি দেশ অংশ নিচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এই বইমেলার আসরে। গত বছরের মতোই এবারও কলকাতা বইমেলার দ্রষ্টব্য কলকাতার অদূরে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে।
১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মেলা চলবে। মেলায় বাংলাদেশ দিবস ১০ ফেব্রুয়ারি। তার আগে ৭ ফেব্রুয়ারি অবশ্য দুই বাংলার কবি সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মেলার আয়োজকরা বিশেষ একটি সেমিনারের আয়োজন করেছে। 
এবারের বই মেলার থিম কান্ট্রি গুয়েতামালা।  বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে ৪৩ বার ঘণ্টা বাজিয়ে মেলার উদ্বোধন করেন থিম কিন্ট্রর দেশ গুয়েতেমালার কনস্যুলার জেনারেল এবং সেদেশের বিশিষ্ট কবি এউদা মোরালেস।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নাতিদীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বইয়ের সংসার বাড়াতে হবে। ইন্টারনেট এসেছে ঠিকই কিন্তু বই বইয়ের জায়গাতেই থাকবে। রোজ বই প্রেমিদের সংখ্যা বাড়ছে। তিনি নিজেই সময় পেলেই বই লেখেন বলেও জানান। 
তিনি জানান, এ বছর তার লেখা ৭টি বই কলকাতা বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে।  এর মধ্যে যেমন শিশুদের জন্য লেখা বই রয়েছে। আছে উর্দুভাষিদের জন্য লেখা বইও। তেমনই দেশের সমসাময়িক ঘটনা নিয়েও তার একটি বই এবার কলকাতা বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে। 
মমতা ব্যানার্জি দাবি করেন আগামী বছর বইমেলায় তার শততম বই প্রকাশ হবে। এখনোও পর্যন্ত তার লেখা ৮৭ টি বই প্রকাশিত হয়েছে। 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এদিন বইমেলায় কেন্দ্রীয় সরকারকে খোঁচা দিয়েছেন। মমতা বলেন, আমি দীর্ঘদিন সাংসদ ছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীও আছি। আমার প্রতি মাসের যে বেতন হয় সেই বেতনের কোনও টাকা আমি নিই না। তবে আমি চলি কি করে? আমি চলি আমার লেখার সম্মাানির টাকা দিয়ে, ছবি আঁকার টাকা দিয়ে।
বিজেপির নেতাদের নাম করে মমতা বলেন, ‘কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারেন। আমার অসুবিধা নেই। তারা চাইলে আমি তাদের কাছে লেখা বই ও আঁকা ছবিও পাঠাতে পারি।’ 
প্রতিবছরের মতো এবারও বই মেলায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। প্রতিবছরেই কলকাতায় বাংলাদেশের বইয়ের পাঠক প্রিয়তা বাড়ায় দারুণ আশাবাদী হয়ে উঠছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পাদক, গিল্ড (বই মেলার আয়োজক সংস্থা)  ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘বাংলাদেশ এবারও অনেক বড় আয়োজন করেছে। এটা ভেবে ভালো লাগে যে প্রতিবছর তাদের বইয়ের প্রতি কলকাতার পাঠকের আগ্রহ বেড়েছে। কারণ সম্প্রতি তারা কলকাতা বইমেলার পাশাপাশি পৃথক একটা বইমেলাও করে কলকাতায়। 
তৌফিক হাসান ( উপহাইকমিশনার, বাংলাদেশ উপদূতাবাস, কলকাতা) জানান, ‘এবার বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন করা হয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনের আদলে। সেখানে ৪১টি সংস্থা এবার স্টল নিয়ে বসেছে। এবারও বাংলাদেশ দিবসের ব্যাপক আয়োজনের কথাও জানান। বলেন, কবি সাহিত্যিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিখ্যাত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরীে বন্যাও ওই দিন উপস্থিত থাকবেন।
কলকাতার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও নির্বেদ রায় সময় টেলিভিশনকে জানান, এটা তো বাঙালি হিসেবে আমাদের সবার গর্ব। তিনি বাংলাদেশের লেখার মান নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। 
বাংলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, জাতীয় যাদুঘর ছাড়াও বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রায় সব প্রকাশনী সংস্থা বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে তাদের স্টল সাজিয়ে বসেছে।
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop