বাণিজ্য সময়স্থিতিশীল চাল, লিটারে ৩ টাকা বেড়েছে সয়াবিন

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
রাজধানীর পাইকারি বাজারে নতুন করে কমেনি চালের দর। বিক্রি হচ্ছে দু’সপ্তাহ আগের দামেই। দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পাইকাররা। অন্যান্য নিত্যপণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১-২ টাকা। লিটারে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিনের দাম। 
গত মাসে হঠাৎ করে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে চালের বাজার। প্রায় সবধরনের চালের দাম প্রতিবস্তায় ১৫০-২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ায় মিল মালিকরা। ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়া নিয়ে মিল মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সরকার। বৈঠকের এক সপ্তাহের মধ্যে চালের দাম বস্তা প্রতি কমে আসে প্রায় ৫০ টাকা।
পাইকাররা বলছেন, চালের দাম আরো কমানোর কথা থাকলেও তা এখনো কার্যকর করেনি মিলমালিকরা। নির্বাচনের সময় চালের দাম বেড়েছিল, তা এখন প্রতি বস্তায় ১ থেকে দেড় টাকা কমেছে। 
স্থিতিশীল রয়েছে আমদানি করা আদা-রসুন ও আলুর দাম। তবে কেজিতে ১-২ টাকা বেড়ে ১৫-১৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ।
বিক্রেতারা বলেছেন, দেশি পেয়াজের দাম ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে। গেছে সপ্তাহে আমরা পেয়াজ বিক্রি করেছি ১৬ থেকে ১৭ টাকা। 
বস্তায় ২০-২৫ টাকা কমে ময়দা বিক্রি হচ্ছে ১৪৭০ টাকায়। আটার দাম বস্তায় কমেছে ৩০ টাকা পর্যন্ত। দেশি মসুর কেজিতে ২-৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। মুগডাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০-১১০ টাকায়। বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিনের দাম।
মসলার বাজারে প্রতিকেজি এলাচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৩০০-২০০০ টাকায়। জিরা প্রতিকেজি ৩৪০-৪০০ টাকায়। আর গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop