ভ্রমণযে ১০ জায়গায় ঘুরতে যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন 'ফোর্বস' পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০টি সেরা জায়গার তালিকা প্রকাশ করেছে, যা কিনা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেও ভরপুর, আবার যথেষ্ট নিরাপদও।
আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন 'ফোর্বস'-এ প্রকাশিত ওই তালিকার নাম- 'দ্য টেন কুলেস্ট প্লেসেস টু গো ইন ২০১৯'।
ফোর্বসের ওই তালিকা জানিয়েছে, পর্যটনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ ১০টি জায়গার তালিকায় সবার আগে রয়েছে পর্তুগালের অ্যাজোর্স দ্বীপপুঞ্জ।
ফোর্বস-এর মতে, আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী ওই দ্বীপপুঞ্জে যাতায়াত খুবই সহজ। নিউইয়র্ক থেকে সরাসরি যাওয়া যায় বিমানে। ৫ ঘণ্টার বেশি সময় লাগেনা। দেখার মতো আছেও অনেক কিছু। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ, প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ, কালো রঙের বালির সমুদ্রসৈকত। সেখানে পাহাড়ে চড়া, স্কুবা ডাইভিং, তিমিদর্শনও করা যায়।
ওই তালিকায় দুই নম্বরে রয়েছে পূর্ব ভূটান। গত কয়েক বছরে পর্যটকদের কাছে ভুটানের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম ও মধ্য ভুটানের। পুনাখা জোং, দোচুলা পাস, চিমি লাখাং, তাশিচোজং এবং গাংতে গুম্ফাতে সারাবছর ভিড় থাকে পর্যটকদের।
তিন নম্বরে রয়েছে মেস্কিকোর ক্যাবো বা লস ক্যাবোস এলাকা। বিলাসবহুল রিসোর্ট এবং ফাইভ স্টার হোটেলের জন্য পরিচিত দক্ষিণ মেক্সিকোর লস কাবোস। সপরিবার পিকনিক করা যাবে লাভার্স বিচে। স্নর্কেলিংয়ের শখ থাকলে তার ব্যবস্থাও রয়েছে সান্তা মারিয়া সমুদ্র সৈকতে। ওয়াইন টেস্টিংয়ের আয়োজন করা হয় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয়। ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন সেখানেও।
তার পরেই রয়েছে কলম্বিয়া। শাকিরা, ফনসেকার মতো বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পীদের জন্ম কলম্বিয়ায়। তবে সাধারণ নাগরিকরাও যে কম যান না, কলম্বিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তা টের পাবেন। দেওয়ালে দেওয়ালে চোখে পড়বে স্ট্রিট আর্ট। আর খাদ্যরসিক হলে তো কথাই নেই। নানা ঘরানার খানাপিনার জন্য প্রসিদ্ধ বোগোটা।
পাঁচ নম্বরে রয়েছে ইথিওপিয়া। ক্রিশ্চান, ইহুদি ও মুসলিমরা মিলেমিশে থাকেন এ দেশে। তবে নিজেদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই তাঁদের। বরং ইথিওপিয়ায় ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সেখানকার মানুষ। তাই প্রাচীনকালের বিভিন্ন স্থাপত্য আজও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেখানে। যার মধ্যে কয়েকটি চতুর্থ এবং পঞ্চম শতকে নির্মিত।
ছয়ে আছে মাদাগাস্কর। আরব্য রজনীতে যাযাবর বেদুইনদের গল্প পড়েছেন নিশ্চয়ই! মাদাগাস্কার তার আধুনিক সংস্করণ। গাইড নিয়ে বেরিয়ে পড়তে পারেন রাস্তাঘাটে। সেখানে যাযাবরদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ মিলে যেতে পারে । আলাপ হতে পারে ঈগল শিকারিদের সঙ্গেও।
সাত নম্বরে রয়েছে মঙ্গোলিয়ার নাম। তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছে পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীর। ফোর্বস জানিয়েছে, উত্তর-পূর্ব পাকিস্তানের‌, শিগার ও খাপলু উপত্যকাগুলি নিরাপদে পর্যটনের জন্য একেবারে আদর্শ জায়গা। কারাকোরাম হাইওয়ে ধরে যেতে হয় ওই সব উপত্যকায়। গোটা হাইওয়েটাই খুব নিরাপদ। প্রাকৃতিক দৃশ্যের নিরিখেও অতুলনীয়। ঝুলন্ত সেতুর তলা দিয়ে বয়ে যাচ্ছে সেখানে বরফ গলা জলের বহু নদী। রয়েছে প্রায় বরফে আবৃত আত্তাবাদ হ্রদ ও রাকিপোশির মতো এলাকা।
তালিকার নয় নম্বরে রয়েছে রুয়ান্ডা। পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কাছে। বন-জঙ্গল যাঁদের পছন্দ, তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা। রয়েছে নানা অভয়ারণ্য। ভিরুঙ্গা পার্বত্য এলাকার ভলক্যানস ন্যাশনাল পার্কের স্থায়ী বাসিন্দা ৩০০ গরিলা। রয়েছে রেইন ফরেস্ট নিয়ুঙ্গওয়ে ন্যাশনাল পার্ক। এখানে প্রায় ১০৮০ প্রজাতির গাছপালা রয়েছে। পাখি রয়েছে ২৫০ প্রজাতির।
আর দশ নম্বরে রয়েছে তুরস্কের রিভিয়েরা এলাকা। পড়শি দেশ সিরিয়ায় ইসলামি স্টেট জঙ্গিদের উৎপাত। এ সবের কারণে পর্যটকদের কাছে তুরস্কের জনপ্রিয়তা কমে গিয়েছিল সম্প্রতি। তবে ২০১৬-তে সেনা অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক তুরস্কে। ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ ইস্তানবুল, বোদরামে ইদানীং বহু সিনেমার শুটিংও হয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop