বাংলার সময় বাগেরহাটে উপজেলা চেয়ারম্যানের রোষানলে ইউএনও

আলী আকবর টুটুল

fb tw
somoy
বাগেরহাটের চিতলামারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরোধে বিব্রত সচেতন মহল ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা। গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে একে অপরকে দুষছেন দুজনেই।
এদিকে ইউএনও মো. আবু সাইদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মুজিবর রহমান শামীম। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
অন্যদিকে আবু সাইদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে এর বিরুদ্ধে উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় নিন্দা প্রস্তাব করেন সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন। বৃহস্পতিবার সভায় উত্থাপিত প্রস্তাবে সমর্থন করেন উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মুজিবর রহমান শামীম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ উপজেলার বনায়ণকৃত গাছ বিক্রয়ের জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। ওই গাছ পছন্দের ক্রেতার কাছে কম মূল্যে বিক্রয় করেছেন। এছাড়া, সরকারি বরাদ্দের ঘর প্রতি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নগদ অর্থ গ্রহণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ প্রদানের জন্য উৎকোচ গ্রহণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
তবে তার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ। তিনি বলেন, বন বিভাগের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণ করে সরকারি সকল নিয়ম মেনে নিলামে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অদ্যবদি কোন দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ করা হয়নি। বরং চেয়ারম্যানের মনোনীত প্রতিনিধি চাকুরী প্রার্থীদের নিকট থেকে টাকা গ্রহণ করার কারণে নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে। জমি আছে ঘর নেই দ্বিতীয় পর্যায়ে যে ঘর এসেছিল, সেগুলো উপজেলা চেয়ারম্যান নিজের পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে করাবেন। আমি সেটি করতে না দেয়ায় তিনি আমার প্রতি এ ধরণের অপপ্রচার চালাচ্ছেন ও বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিচ্ছেন। আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হবে আমি বিশ্বাস করি।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মাধ্যমে ঘর পেয়েছি। ঘরের জন্য আমাদের কাউকে কোনো টাকা প্রদান করতে হয়নি।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চরবানিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল বলেন, আমি দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনে অনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেখেছি। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, আমি মনে করি তা ভিত্তিহীন। তাকে একজন ভাল মানুষ বলে আমার মনে হয়।
সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, আসলে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন তা ভিত্তিহীন। যার ফলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় অভিযোগের বিরুদ্ধে আমরা নিন্দা প্রস্তাব এনেছি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযুষ রায় বলেন, নিয়োগের যে অভিযোগ এসেছে সে নিয়োগই হয়নি। গত পাঁচ বছরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কাছে সাধারণ মানুষও নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। এ ধরণের অহেতুক অভিযোগে চিতলমারী উপজেলা পরিষদ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। মানুষতো ভেতরে ঢুকে কোনো কিছু জানতে পারছে না। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং সাধারণ মানুষ তদন্তের ফলাফল জানুক। এটা আমরা প্রত্যাশা করি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop