মহানগর সময়জাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সন্দ্বীপ চ্যানেল

কমল দে

fb tw
somoy
বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেল হয়ে ভাষাণচর এবং ঠ্যাংগার চর এলাকায় অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হওয়ায় পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত কয়েক মাসে এ অঞ্চলে ডুবো চরের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে গেছে বেশক'টি পণ্যবাহী লাইটারেজ জাহাজ। গত ২৪ জানুয়ারি একদিনেই ডুবেছে দু'টি জাহাজ। এ অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে জাহাজ চলাচলের জন নতুন রুট খুঁজছে বিআইডব্লিউটিএ।
গত ৩০ বছরের স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যায়, বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ হয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া এবং লক্ষ্মীপুরের চরগজারিয়া এলাকায় ভূমি'র ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। যার দূরত্ব চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার। প্রায়ই এখানে যেমন ভূমির ভাঙা-গড়ার ঘটনা ঘটে, তেমনি সৃষ্টি হচ্ছে অসংখ্য ডুবোচর।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সাইন্সেস এন্ড ফিশারীজ ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেন, 'এখন যেটা আমাদের মেঘনার মুখ এটাই হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের যে বদ্বীপ তার প্রধান পলি আসার পথ। কাজেই এখানে পলি আসতে থাকবে। কিছুটা পলি জমবে, কিছুটা সমুদ্রের দিকে যাবে।'
মূলত চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গর অবস্থানরত মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস করে লাইটারেজ জাহাজগুলো এই রুটেই বিভিন্ন নদী বন্দরগুলোতে যাওয়া আসা করে। কিন্তু ডুবোচরগুলো আগে থেকে শনাক্ত না হওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় পড়ছে পণ্যবাহী লাইটারেজ জাহাজ। ২৪ জানুয়ারি এ এলাকায় ডুবোচরের সাথে ধাক্কা লেগে দু'টি জাহাজ ডুবে যায়।
ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের কো কনভেনার শফিক আহমেদ বলেন, 'ওখানে পানি থাকে না। পুরো জোয়ারের সময় ওই এলাকা দিয়ে জাহাজগুলো পার করতে হয়।'
বিআইডব্লিউটিএ'র তথ্য অনুযায়ী, পণ্যবাহী লাইটারেজ জাহাজ চলাচলের জন্য অন্তত ৪ থেকে ৫ মিটার গভীরতা প্রয়োজন। কিন্তু ভাষাণচর ও ঠ্যাংগার চরের মধ্যবর্তী অন্তত ৭ কিলোমিটার এলাকায় ভাটার সময় গভীরতা দুই থেকে আড়াই মিটারে নেমে আসে। কিন্তু বন্দরের আওতাধীন এলাকা না হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক বলেন, 'যেসকল জাহাজ বন্দরে আসা যাওয়া করে তাদের জন্য আমরা ড্রেজিংটা করি। এর বাইরে ইনল্যান্ড ভ্যাসেলগুলো সাধারণত নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ দেখে থাকে।'
এ অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে বিকল্প রুটের সন্ধানে নেমেছে বিআইডব্লিউটিএ।
বিআইডব্লিউটিএ'র বিদায়ী চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক বলেন, 'জরিপের মাধ্যমে আমরা এক কিলোমিটার দূরে একটা নতুন চ্যানেল আবিষ্কার করেছি। এই সপ্তাহ থেকেই আমরা জাহাজগুলোকে নতুন চ্যানেল দিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিবো।'
প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে থাকা জাহাজ থেকে পণ্য বোঝাই করে কয়েকশ লাইটারেজ জাহাজ এই রুটে যাওয়া-আসা করে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop